মার্কিন নির্বাচনের ভোট গণনা মাঝপথে পৌঁছে গিয়ছে। এখনও পর্যন্ত বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের থেকে চ্যালেঞ্জার জো বাইডেন অনেকটাই এগিয়ে আছেন। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প-ও দ্রুত ঘাটতি পূরণ করে এগিয়ে আসছেন। তবে শেষ অবধি লড়াইটা হাড্ডাহাড্ডি জায়গায় পৌঁছলেও হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের আর থাকা হবে না, তা একপ্রকার ধরেই নিয়েছে ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থীর সমর্থকরা।  উত্সবে মেজাজে আছেন। মঙ্গলবার যত রাত বেড়েছে ততই হোয়াইট হাউজের কাছে ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার প্লাজায় সমবেত হয়েছেন ডেমোক্র্যাট সমর্থকরা।  

তাঁরা আনন্দ করছেন, ট্রাম্প বিরোধী ও গণতন্ত্রকামী স্লোগানে কাঁপিয়ে তুলছেন গোটা চত্ত্বর। কিন্তু, তারপরেও সাবধানতা, সতর্কতার খোলস ছেড়ে তাঁরা বের হতে পারছেন না এখনও। নির্বাচনী বিতর্কের সময়, ট্রাম্প কিন্তু, ভোটে হেরে গেলে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেননি। এই অবস্থায় হার নিশ্চিত বুঝলে, আগেভাগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর বিজয় ঘোষণা করে বা পক্ষপাতদুষ্ট আদালতের কার্যক্রমের মাধ্যমে 'নির্বাচন চুরি' করার চেষ্টা করতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। ট্রাম্পের সমর্থকরাও পরাজয়কে কেন্দ্র করে আমেরিকা জুড়ে তাণ্ডব চালাতে পারে বলেও উদ্বেগ রয়েছে পুলিশ-প্রশাসনে।

তাই, হোয়ইট হাউসলের মাত্র ১ ব্লক দূরের দুটি রাস্তা আপাতত বাইডেন সমর্থকদের দখলে। কেউ বলছেন, তাঁরা এসেছেন গণতন্ত্রের জয় উদযাপন করতে। বিভিন্ন সমীক্ষা ও ভোটের প্রাথমিক প্রবণতা দেখে তাঁদের মনে হচ্ছে 'সব প্রচেষ্টা কার্যকর হবে'।কেউ বলছেন রাষ্ট্রপতিকে হোটয়াইট হাউস থেকে বের করে দিতেই রাস্তায় নেমেছেন। আবার কেউ বলছেন সাধারণ মানুষের শক্তি কতটা তা অনুভব করতে বিএলএম প্লাজায় উপস্থিত হয়েছেন তাঁরা। সত্যিই তাঁদের কথা ভোটে প্রতিফলিত হয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে এসেছেন। আবার অনেকে শুধুই বাইডেনকে ভোট দেওয়ার কথা বলবেন বলেই এসেছেন।

এখনও অবধি, যতদূর ভোট গণনা হয়েছে তাতে বাইডেন ২০৯টি ইলেক্টোরাল ভোট পেয়েছেন। আর ট্রাম্পের ঝুলিতে এসেছে ১১২টি। হোয়াইট হাউসের মসনদের জন্য ম্যাজিক সংখ্যা ২৭০।