- Home
- World News
- International News
- আকাশ ফুঁড়ে টার্গেট ছিন্নভিন্নকরে দেয় Blue Sparrow Missile,খামেনেইর মারণ-বাণ কতটা শক্তিশালী?
আকাশ ফুঁড়ে টার্গেট ছিন্নভিন্নকরে দেয় Blue Sparrow Missile,খামেনেইর মারণ-বাণ কতটা শক্তিশালী?
Blue Sparrow Missile: খামেনেইকে হত্যায় ইজরায়েল কী অস্ত্র ব্যবহার করেছিল, কতটা শক্তিশালী ছিল সেই অস্ত্র- তা নিয়ে জল্পনা চলছেই। ইজরায়েল সূত্রের খবর খামেনেইকে হত্যায় নেতানিয়াহু ব্যবহার করেছিলেন খুবই অল্প পরিচিত অস্ত্র ব্লু স্প্যারো মিসাইল।

খামেনইকে হত্যা
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই হত্যার পরে কেটে গেছে ৭ দিনেরও বেশি সময়। কিন্তু এখনও তাঁর হত্যাকাণ্ড নিয়ে কাটাছেঁড়া চলছে। কি করে ইজরায়েল আর আমেরিকা খামেনেইর হদিশ পেল? খামেনেইর লোকেশন একদম নির্ভুল হল কী করে? খামেনেই কে কোন অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়েছে? যদিও এই বিষয় নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানায়নি ইজরায়েল বা আমেরিকা, দুই দেশের আমলাদের থেকে একাটা দুটো তথ্য বেরিয়ে আসছে। আর সেখান থেকেই শুরু হচ্ছে নতুন নতুন জল্পনা।
কোন মিসাইল ব্যবহার
ইজরায়েল সূত্রের খবর খুবই অল্প পরিচিত ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহার করা হয়েছিল খামেনেইকে হত্যার জন্য। মিসাইলের নাম ব্ল্যু স্প্যারো বা নীল চড়াই। এটি বৃহত্তর ক্ষেপণাস্ত্র পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এই পরিবারের বাকি সদস্যরা হল, ব্ল্যাক স্প্যারো, সিলভার স্প্যারো। এই সিস্টেমগুলি মূলত স্কাড-টাইপ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অনুকরণের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল। যা উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় ইরাক ইজরায়েলের দিকে তাক করেছিল। সেই ধরনেরই ক্ষেপণাস্ত্র এটি।
ব্ল্যু স্প্যারো মিসাইল
ব্ল্য স্প্যারো মিসাইলটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছিল, তাক করার পরেই পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল থেকে বেরিয়া দ্রুত গতিতে পুনরায় প্রবেশ করে। যার ফলে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে এটি আটকানো প্রায় সম্ভব হয় না। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, তেহরানের দিকে এটি তাক করা হয়েছিল, কিন্তু এর ধ্বাংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়েছিল পশ্চিম ইরানে।
ব্লু স্প্যারোর শক্তি
- ইজরায়েল খামেনেইকে হত্যা করতে যে ব্লু স্প্যারো ক্ষেপণাস্ত্রটি ব্যবহার করেছিল সেটির আনুমানিক পাল্লা প্রায় ১২৪০ মাইল অর্থাৎ ২০০০ কিলোমিটার
- দৈর্ঘ্য প্রায় ৬.৫ মিটার
- ওজন ১.৯ টন
- ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষমতা পরীক্ষা করার জন্য একটি লক্ষ্যবস্তু ব্যবস্থা হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল।
তবে ইজরায়েল সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটিকে আরও আক্রমণাত্মক ও আকাশ থেকে মাটিতে নিক্ষেপযোগ্য মিসাইল হিসেবে তৈরি করে নিয়েছিল।
আগেও ব্যবহার
সূত্রের খবর অনুযায়ী ইসরায়েল পূর্বে সীমিত ক্ষমতায় ব্লু স্প্যারো ব্যবহার করেছিল, সম্ভবত ২০২৪ সালের এপ্রিলে ইরানে হামলার সময়, যখন হামলার পরে একই ধরণের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কৃত হয়েছিল ।
খামেনেইকে লক্ষ্য করে ৩০টি হামলা
সরায়েলি বাহিনী সকালের অভিযান শুরু করে। F-15 যুদ্ধবিমানগুলি ইরানের সময় সকাল ৭.৩০ টার দিকে উড্ডয়ন করে এবং প্রায় দুই ঘন্টা পরে তাদের লঞ্চ পজিশনে পৌঁছায় বলে জানা গেছে। সকাল ৯.৪০ টায় হামলা শুরু হয়, সর্বোচ্চ নেতার প্রাঙ্গণকে লক্ষ্য করে কমপক্ষে ৩০টি নির্ভুল হামলা চালানো হয়। একই সঙ্গে ইজরায়েল আশেপাশের এলাকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিল। যার ফলে সাহায্যকারীদের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও সাহায্যও পাঠাতে পারেনি।
ইজরায়েলের এই হামলায় খামেনেই যেখানে ছিলেন সেই কমপ্লেক্সের ৬টি ভবন মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

