করোনাভাইরাস নিয়ে ভুল তথ্য় দেওয়া হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ভিডিওটি তার আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট সেই ভিডিও পোস্ট করেন বাদ যাননি জুনিয়র ট্রাম্পও 

মাস্ক পরতে হবে না। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে এমনই ভয়াবহহ পরামর্শ দিতে দেখা গিয়েছিল একদল সাদা কোর্ট পরিহত মহিলা ও পুরুষদের। যাঁরা অবশ্য নিজেদের আমেরিকার প্রথমসারির যোদ্ধা অর্থাৎ চিকিৎসক হিসেবেই দাবি করেছেন। ভিডিওটি তৈরি করেছিল ডানপন্থী মিডিয়া আউটলেট ব্রিটব্রাট। মাস্ক না পরার পাশাপাশি করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচার জন্য অ্যান্টি ম্যালেরিয়া ওষুধ হাইজ্রোক্সাইক্লোরোকুইন খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আর রীতিমত জোর দিয়ে বলা হয়েছে কোভিড নিরাময়ের জন্য মাস্ক পরার কোনও প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি অতিরিক্ত লকডাউনেরও কোনও প্রয়েজন নেই বলে দাবি করা হয়েছে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আর এই ভিডিওটি নিমেষের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। ইউটিউব, ফেসবুকের পাশাপাশি ভিডিওটি তুলুম জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল ট্যুইটারেও। কিন্তু এই ভিডিওতে যেসব তথ্য দেওয়া হয়েছে তা মার্কিন জনস্বাস্থ্য আধিকারিকদের সম্পূর্ণ বিপরীত। আর এই ভিডিওটি শ্যুট করা হয়েছিল ওয়াসিনটনে। 

আর এই ভাইরাল ভিডিওটি জুনিয়ার ট্রাম্প একবার ও তাঁর বাবা মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার পোস্ট করেছিলেন তাঁদের সোশ্যাল মিডিয়ার হ্যান্ডেল থেকে। যদিও পরবর্তীকালে তা সরিয়ে ফেলা হয়। বর্তমানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট মাস্ক ব্যবহার করলেও দীর্ঘদিন পর্যন্ত তিনি মাস্ক ব্যবহারের বিরোধী ছিলেন। পাশাপাশি লকডাউনও তেমনভাবে সমর্থন করেননি। অন্যদিকে করোনাভাইরাস মহামারীর সংক্রান্ত ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছে ফেসবুক, ট্য়ুইটার সহ বেশ কয়েকটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম। ইতিমধ্যেই ব্রিটব্রাট ভিডিওটিও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফেসবুক ও ট্যুইটার।

ড্রাগনের নজর এবার হিমাচল প্রদেশের দিকে, তিব্বত সীমান্তের শেষ গ্রামের কাছে কী করছে লাল ফৌজ ...

নাগারা স্থাপত্যমতেই রাম মন্দিরের নক্সা করেছে সোমপুরা পরিবার, ১৫ প্রজন্মই এই কাজের সঙ্গে যুক্ত ...

একটি সূত্র জানাচ্ছে ভিডিওটি যাঁরা বানিয়েছেন তাঁদের নেতা নেতা চিকিৎসক সাইমন গোল্ড নিজেকে ট্রাম্পের সমর্থক বলেই দাবি করেন। তিনিও রীতিমত দৃঢ়়তার সঙ্গে বলেছেন অ্যান্ট ম্যালেরিয়াল ড্রাই করোনা নিরায়মের জন্য যথেষ্ট। একই সঙ্গে মার্কিন জনগণকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে ভয় পেতেও নিষেধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে করোনাভাইরাসের কারণ হিসেবে রাক্ষুসে শুক্রানূকেই দায়ি করা হয়েছে। একটি সূত্র জানাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে করোনাভাইরাস নিয়ে ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার এটি সর্বশেষ ঘটনা। এই ভিডিওটি খুব তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পড়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে।