দীর্ঘ সময় ডোনাল্ড ট্রাম্পের ট্যুইটার ব্যান ছিল। নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর আবারও বিস্ফোরণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট। নূন্যতম সৌজন্যতা বজায় না রেখেই ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করলেন তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে জো বাইডেনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন না। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন যাঁরা জিজ্ঞাসা করছেন তাদের সকলে তিনি জানাচ্ছে যে তিনি ২০ জানুয়ারি জো বাইডেনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যাবেন না। তবে এই অনুষ্ঠান কেন তিনি এড়িয়ে যাচ্ছেন তার কোনও কারণ উল্লেখ করেননি ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

আর মাত্র ১২ দিন বাকি রয়েছে ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতি মেয়াদ পূর্ণ করতে। ১৮৬৯ সাল থেকে মার্কিন ইতিহাসে বিদায়ী রাষ্ট্রপতি আগামী রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির থাকেন। এবার ট্রাম্প যদি বাইডেনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকেন তাহলে তা হবে একটি নজিরবিহীন ঘটনা। তবে ট্রাম্প যে উপস্থিত থাকবেন না- এটা আশ্চার্য হওয়ার মত ঘটনা নয়। কারণ, জো বাইডেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ভোটে তাঁর জয় নিয়ে একের পর এক উস্কানিমূলক মন্তব্য করে আসছেন ট্রাম্প। ক্ষমতা ধরে রাখতে আদালতেরও দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। কিন্তু সব শেষে বিদায় বেলায় মার্কিন মুলুকে চরম হিংসা ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। 

ক্যাপিটাল হিসে হিংসায় মদত দেওয়ার অভিযোগ এখনও পর্যন্ত ফেসবুক আর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের। কমপক্ষে দু-সপ্তাহ নিষেধাজ্ঞাজারি থাকবে বলেও ঘোষণা করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে নিজের অনুগামীদের উস্কে দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তেমনই অভিযোগে সোশ্যাম মিডিয়ায় অক্যাউন্টে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।