ওড়ার আগেই বিপত্তি। ওড়ার আগেই বড়সড় বিস্ফোরণ নতুন স্পেস এক্স স্টারশিপ রকেটে। শুক্রবার দক্ষিণ টেক্সাসে প্রথমবার লঞ্চের গ্রাউন্ড টেস্টের সময়ই এই বিস্ফোরণ ঘটে। তবে এই বিস্ফোরণের সঙ্গে ফ্লোরিডার স্পেশ সেন্টার ও নাসা থেকে যে স্পেশ এক্স রকেটের কোনও সম্পর্ক ছিল না। শুক্রবারই প্রথম এলন মাস্ক স্পেস সংস্থার তৈরি এই রকেটটি উড়ানের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।  প্রথমবার উড়ানের জন্য রীতিমত তড়িঘড়ি করে সূচি নির্ধারণ করেছিল সংস্থাটি।  

শুক্রবার স্পেশ এক্সের বোকা চিকা পরীক্ষা সাইটে একটি বিস্ফোরক ফারাবলে একটি  প্রোটোটাইপ অদৃশ্য হয়ে যায়।  যা দেখা গেছে নাসা স্পেসফ্লাইট ওয়েবসাইটের লাইভ স্টিমিং-এ। ভয়ঙ্কর এই বিস্ফোরণে কোনও মানুষ আহত বা নিহত হননি। বলেও জানান হয়েছে। 

৩৯৪ ফুট লম্বা এই স্টারশিপ রকেটটি চাঁদ ও মঙ্গল গ্রহে মানুষকে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তৈরি করা হচ্ছিল। পাশাপাশি এই রকেটটি ১০০ টন মালপত্র পরিবহনেরও ক্ষমতা রাখে বলে জানান হয়েছে। এটি আগামী প্রজন্মের জন্য তৈরি করা হচ্ছে। মহাকাশ ভ্রমণকে আরও সাশ্রয়ী করার জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। 

স্পেস এক্স তৈরির সঙ্গে যুক্ত তিনটি সংস্থাকে গত মাসেই নাসা পুরষ্কৃত করেছিল। যার অর্থমূল্য ছিল ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। নাসার উদ্দেশ্য ছিল চাঁদে মানুষ ও মালপত্র পরিবহন করা আরও সহজ করতে। অন্যদিকে এফএএ বৃহস্পতিবারই মহাকাশ সংস্থাকে স্টারশিপের প্রথম শহরতলী বিমান পরিবহনের জন্য লাইসেন্স প্রদান করেছিল। কিন্তু সেই পরীক্ষাগুলি কবে হবে তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও নিশ্চয়তা নেই।