২০১৭ সাল থেকে তাঁদের ঠিকানা ছিল হোয়াইট হাউস। বাড়ি ছিল ফাঁকা। তাঁরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পে মেয়ে ও জামাই ইভাঙ্কা ট্রাম্প ও জ্যারেড কুশনার।  কিন্তু সেই ফাঁকা বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টদের একদিন ধরে শৌচাগারের জন্য ভাড়া গুণতে হয়েছিল ১,০০,০০০ মার্কিন ডলার। এবার হয়তো তাঁদের ভাড়া গোনার দিন শেষ হল। কারণ ট্রাম্পের সঙ্গে হোয়াট হাউস ছেড়ে দিতে হবে ইভাঙ্কাকেও। এবার তিনি বাড়ি ফিরবেন। 

ইভাঙ্কা ও জ্যারেডের বাড়ি ওয়াশিংটনের অভিজাত এলাকা ক্যালোরামায়। সেখানেই হাফ ডজন  শয়নকক্ষ আর সাতটি শৌচায়ল নিয়ে কাঁরা ৫ হাজার বর্গফুটের বিলাসবহুল আবাসন। কিন্তু ইভাঙ্কা নিজের বাড়ি ছেড়ে হোয়াইট হাউসে যাওয়ার আগে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টদের তাঁদের বাড়ি শৌচাগার ব্যবহার করতে নিষেধ করেছিল। আর সেই কারণেই সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টরা ভাড়া করা শৌচাগার ব্যবহার করতেন। কিন্তু অভিজাত পাড়ায় প্রথমে কেউ তাঁদের শৌচাগার ব্যবহার করতে দিতে রাজি হননি। অবশেষ প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামান বাড়ির কাছের এক বাসিন্দা সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টদের মাসে তিন হাজার মার্কিন ডলারের বিনিময় নিজের বাড়ির শৌচাগার ব্যবহার করতে দেন। আর সেই কারণেই ২০১৭ সাল থেকে এপর্যন্ত শৌচাগারের জন্য খরচ হয়েছে ১,০০০০০ মার্কিন ডলার। 

যদিও হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টরা নিজেরাই পৃথ শৌচাগারের ব্যবস্থা করেছিল নিজেদের সুবিধের জন্য। কিন্তু হোয়াইহাউস সূত্রের খবর, ট্রাম্প কন্যার অনুরোধে ও নির্দিষ্ট কয়েকটি কারণে সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টদের বাড়ির বাইরে রাখা হয়েছিস। সিক্রেট সার্ভিসের এক আধিকারিকও জানিয়েছেন সুরক্ষা দেওয়ার জন্য কী কী উপায় ও পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় তা নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করা ঠিক নয়।