Baby With Thick Mustache :ছেলেদের মুখে দাড়ি, গোঁফ গজাতে বছর ১২-১৫ লেগে যায়। কিন্তু এক সদ্যজাত শিশুর ভিডিও ঘিরে এই মুহূর্তে উত্তাল নেটপাড়া। হাসপাতালের নীলচে চাদরে শুয়ে থাকা এক পুঁচকে নবজাতক, অথচ তার ঠোঁটের ঠিক ওপরেই স্পষ্ট ঘন কালো গোঁফ!
Baby With Thick Mustache: ছেলেদের মুখে দাড়ি, গোঁফ গজাতে বছর ১২-১৫ লেগে যায়। কিন্তু এক সদ্যজাত শিশুর ভিডিও ঘিরে এই মুহূর্তে উত্তাল নেটপাড়া। হাসপাতালের নীলচে চাদরে শুয়ে থাকা এক পুঁচকে নবজাতক, অথচ তার ঠোঁটের ঠিক ওপরেই স্পষ্ট ঘন কালো গোঁফ! শুধু গোঁফই নয়, মাথায় ঘন চুল এবং গালের দু'পাশে হালকা দাড়ি সদৃশ রোমও দেখা যাচ্ছে সেই ভিডিওতে। দাবি করা হচ্ছে, দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরে সম্প্রতি জন্ম নিয়েছে এই 'গোঁফওয়ালা শিশু' (Baby with Mustache)।
সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও
ভিডিওটি সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরাল হয়ে যায়। হাসপাতালের নার্সিং হোম বা ওয়ার্ডের ব্যাকগ্রাউন্ডে শুয়ে থাকা শিশুটির এই অদ্ভুত রূপ দেখে চরম বিস্ময় প্রকাশ করেছেন নেটিজেনরা। ইনস্টাগ্রাম থেকে শুরু করে ‘এক্স’ (আগে বলা টুইটার),সর্বত্রই এখন চর্চার কেন্দ্রবিন্দু এই রিল।
দেখুন গোঁফওয়ালা শিশুর ভাইরাল ভিডিও
দেখুন ভাইরাল ভিডিও
মিমের বন্যা
ভিডিওটি ঘিরে শুরু হয়েছে মজার মজার মন্তব্য আর মিমের বন্যা। এক নেটিজেন ঠাট্টা করে লিখেছেন, “শিশুটি জন্ম থেকেই যেন মধ্যবয়সী!” অন্য এক জনের বক্তব্য, "এই শিশু তো মনে হচ্ছে রিটায়ারমেন্টের পর জন্মাল! ঘাড়ে বোধহয় ইতিমধ্যেই হোম লোনের চাপ রয়েছে।” কেউ বা আবার কৌতুক করে বলছেন, “এক গ্লাস বিয়ার নিয়ে বসার জন্য একদম তৈরি ছেলে!”
চিকিৎসাবিজ্ঞানের অলৌকিক ঘটনা?
তবে এই ভিডিওটি শুধুই একটা কৌতুক, নাকি এর পেছনে কোনও চিকিৎসাবিজ্ঞানের অলৌকিক ঘটনা রয়েছে— তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। চিকিৎসকদের একাংশের মতে, গর্ভাবস্থায় শিশুদের শরীরে ‘ল্যানুগো’ (Lanugo) নামক এক ধরনের সূক্ষ্ম রোম জন্মায়। তবে সেই রোম সাধারণত অত্যন্ত নরম ও হালকা রঙের হয়, যা সময়ের সঙ্গেই ঝরে যায়। কিন্তু এক জন সদ্যজাতের মুখে প্রৌঢ়ের মতো এমন পরিপাটি ও ঘন গোঁফ থাকা চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাধারণ নিয়মে অত্যন্ত বিরল।
AI-র কারসাজির পক্ষেই পাল্লা ভারী
অন্যদিকে, ভিডিওটির সত্যতা নিয়ে উঠে এসেছে বড়সড় প্রশ্ন চিহ্ন। একাধিক ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থার রিপোর্টে জানানো হয়েছে, ইকুয়েডরের কোনো নির্দিষ্ট হাসপাতাল বা শিশুর পরিবারের পরিচয় এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত করা যায়নি। নিরপেক্ষ কোনো চিকিৎসা নথিও মেলেনি। ভিডিও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কোনো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ফিল্টার বা ডিজিটাল এডিটিং টুলের সাহায্যেই শিশুটির মুখে এই গোঁফ বসানো হয়েছে। আলো এবং স্কিন টেক্সচারের অসামঞ্জস্য পর্যবেক্ষণ করে অনেকেই একে এআই-নির্মিত ভুয়ো ভিডিও বলে দাবি করছেন।
চর্চায় গোঁফওয়ালা শিশু
অতীতেও একাধিকবার এই ধরনের ভুয়ো ভিডিও ভাইরাল করে সাড়া ফেলার চেষ্টা চলেছে নেটে। সত্যতা প্রমাণিত না হলেও ইকুয়েডরের এই ‘গোঁফওয়ালা শিশু’ কিন্তু এই মুহূর্তে নেটদুনিয়ায় চর্চার প্রথম সারিতেই রয়েছে।


