বাংলাজুড়ে ৫০ হাজার জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করা বাকি রয়েছে। এদিকে বিকেলের মধ্যে কলকাতায় আসছে  মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরার নের্তৃত্বে কমিশনের তিন সদস্যের ফুল বেঞ্চ। তাই জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানার তথ্য পেয়েই ঘুম উড়েছে রাজ্যের প্রশাসনিক দফতরের কর্তাদের। এদিকে তারই মধ্যে  'একুশের নির্বাচনে অনৈতিক সুবিধা পাওয়ার জন্য পুরভোট করাচ্ছে না তৃণমূল', অভিযোগ জানিয়ে কমিশনকে চিঠি পাঠিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী (Adhir Ranjan chowdhury)।  

 

 

 ঘুম উড়ল প্রশাসনিক কর্তাদের


সূত্রের খবর,পশ্চিমবঙ্গে উপ নির্বাচন কমিশনার আসার পর,  রাজ্য জুড়ে ১০ হাজার জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করা গিয়েছে। যদিও  ৫০ হাজার জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করা বাকি রয়েছে। এনিয়ে বুধবার (CRPF) সিআরপিএফ-র আইজি পিকে সিং, (BSF)বিএসএফ-র আইজি একে সিং এবং রাজ্য পুলিশের এডিজি আইন-শৃঙ্খলার সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আফতাব। নির্বাচনে বাহিনীর পর্যপ্তাতা নিয়ে তাঁদের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে বলে খবর।

 

 

 কমিশনকে চিঠি অধীরের


অপরদিকে,   'একুশের নির্বাচনে অনৈতিক সুবিধা পাওয়ার জন্য পুরভোট করাচ্ছে না তৃণমূল', অভিযোগ জানিয়ে (Election Commission) কমিশনকে চিঠি পাঠিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী।  তিনি চিঠিতে লিখেছেন, পশ্চিমবঙ্গের অনেক পুরসভায় নির্বাচিত কাউন্সিলরদের মেয়াদ ফুরিয়ে গেলেও সেখানে নির্বাচন না করিয়ে প্রশাসক বসিয়েছে তৃণমূল। নিজেদের রাজনৈতিক অভিসন্ধির পূরণের জন্যই সাংবিধানিক রীতিনীতিকে লঙ্ঘন করেছে তৃণমূল (Trinamool Congress)।'