আশিস মণ্ডল, বীরভূম-রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করেছে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। জনসভায় দাঁড়িয়ে বিশ্বভারতীর উপাচার্যকে ফের নিশানা করলেন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে তাঁকে তীব্র কটাক্ষ করেন তিনি। বৃহস্পতিবার নলহাটি ১ নম্বর ব্লকের হরিপ্রসাদ হাইস্কুল মাঠে জনসভা ছিল। জনসভায় উপস্থিত ছিলেন বোলপুরের সাংসদ অসিত মাল, বীরভূম জেলা পরিষদের মেন্টর রানা সিংহ, দলের জেলা সহ সভাপতি সৈয়দ সিরাজ জিম্মি, জেলা সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব ভট্টাচার্য।

আরও পড়ুন-জেলার বইমেলায় আমন্ত্রণ নেই বিরোধী বিধায়কদের, বিতর্কের জেরে বিড়ম্বনায় তৃণমূল

নলহাটির সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করেন অনুব্রত মণ্ডল। বলেন, “বিজেপি বেইমান। মানুষের সঙ্গে ধোঁকাবাজি করেছে। বিজেপি বলেছিল প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ করে দেবে। কিন্তু দেয়নি। আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে সবাইকে পাঁচ লক্ষ টাকা করে দিয়েছে”। রাজ্যের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নলহাটি বিধানসভার বিধায়ক যথেষ্ট উন্নয়ন করেছে। কেউ যদি বলেন বিধায়ক মইনুদ্দিন সামস উন্নয়ন করেনি। তাহলে তাঁকে আর প্রার্থী করব না”। লোকসভায় বিজেপির ১৮ টি আসন পাওয়া নিয়ে অনুব্রত বলেন, “লোকসভায় ভুল করেছেন। কিন্তু বিধানসভায় সেই ভুল করবেন না। কারন বিধানসভা নির্বাচন মমতার ভোট”।

আরও পড়ুন-১৮৫-২১০টি আসন পাবে তৃণমূল, কাজ করবে না শুভেন্দু ফ্যাক্টর, দলীয় সমীক্ষা না কর্মীদের 'এনার্জি ডোজ'

শান্তিনেকতনে অমিত শাহ আসার আগে থেকেই রাজনৈতিক বিতর্কে জড়িয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অমিত শাহের সফরের পর বিশ্বভারতীর প্রতি আক্রমণ আরও জোরালো করে তৃণমূল কংগ্রেস। এদিনের সভা থেকে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, বিশ্বভারতীর উপাচার্য পাগল। মস্তিষ্কের ঠিক নেই। বিজেপির বড় নেতা। ওকে কোন মানসিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া উচিত। রাজ্য সরকার রাস্তা বিশ্বভারতীকে দিয়েছিল। আবার ফিরিয়ে নিয়েছে। তাই আমাদের রাস্তা আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে ফিরিয়ে নিলাম। আমরা আমাদের জায়গায় বক্স বাজিয়েছি। বিশ্বভারতীর জায়গায় কিছু করিনি। রাজনীতি করিনি। বরং বিশ্বভারতী জায়গা নিয়ে সকলের যাতায়াত বন্ধ করে দিয়েছিল। আমরা মানুষের জন্য সেই রাস্তা খুলে দিলাম”