উত্তম-সুচিত্রা মতোই শহরে একসঙ্গে রাস্তায় নামলেন শোভন-বৈশাখী।  অবশেষে গোসা কমল, বিজেপির মিছিলে পথে নামলেন  শোভন-বৈশাখী জুটি।  অবশেষে গোসা কমল, শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দ্য়োপাধ্য়ায় বিজেপির মিছিলে সামিল হলেন। কলকাতার রাজপথে ছাপিয়ে গেল গেরুয়া পতাকা। 

 

 

'লালা-এনামূলদের কারা সুবিধা দিয়েছিল'

 
বহু প্রতীক্ষিত শোভন-বৈশাখীর এই রোড দেখার জন্য অপেক্ষায় ছিল রাজ্যবাসী। তবে তাঁদের কথায়-শব্দবাণে এবার ধরাশায়ী হল বোধয় তৃণমূল। শোভন চট্টোপাধ্যায় রোড শো থেকে বললেন, আয়নার সামনে দাঁড়াক এবার তৃণমূল। তিনি সরাসরি নাম তুলে আক্রমণ করলেন কুণাল ঘোষকে। প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন কে দোষী, রাজীব কুমার নাকি কুনাল ঘোষ । উল্লেখ্য, কয়লা পাচার কাণ্ডে লালা ঘনিষ্ঠর বাড়িতে ইডি হানা দিয়েছে।সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্যবসায়ী গণেশ বাগারিয়া- লালার কালো টাকা কোম্পানি খুলে বাজারে খাটানো হত। এবং সেই টাকা প্রভাবশালীদের হাত দিয়েই যেত। এই প্রসঙ্গে শোভন বলেন, এই লালা কারা, এই এনামূল কারা। কারা এদের সুবিধা দিয়েছিল।'

 

 

'ইডি-সিবিআই-র ভয়েই কি বিজেপিতে যোগ দান'


 তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন তোলেন,  কেন আজকাল রাজ্য়ের টোল গেট গুলির ওয়ে মেশিনে গাড়ির ওজন করা হয় না। তারমানে তাঁদের চাকরী যাবে। পুলিশ যদি আটকায়, তার চাকরী যাবে। আজকে জয়েন করলে, কালকে অন্য জায়গায় ট্রান্সফার হয়ে যাবে। এই সকল দুর্ণীতিকে প্রশাসনকে দিয়ে সার্থক করা, এই কারণেই মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়কে বাংলার মানুষের কাছে কৈফিয়েত দিতে হবে। ইডি-সিবিআই-র ভয়েই কি বিজেপিতে যোগ দান, এই প্রশ্নের উত্তর স্বচ্ছতা বজায় রেখেই বলেন, না ভয় পাই না। আমরা তৃণণূলে থাকাকালীণ এই সব তদন্ত ফেস করেছি। তাই মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় কোনও অভিযোগ করবার আগে নিজে সত্যিকারের আয়নার সামনে দাঁড়াক।' 

 


 

'বিজেপি বাল্মিকীদের পার্টি'

অপরদিকে একই দিনে শোভন-বৈশাখীকে তোপ দিয়েছেন কুণাল ঘোষ। কুণাল ঘোষকে আক্রমণ করেন বৈশাখী বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। তিনি বলেন, উনি অতোটা ভালো বোধয় শোভন চট্টোপাধ্যায়কে চেনেন না, যতোটা ভাল চেনেন গরু পাচারকারীদের।  এরপর তিনি বলেন, 'যদি কেউ  রত্মাকর দস্যু হয়ে ভালো হতে চায়, তাহলে সে হোক না। বিজেপি বাল্মিকীদের পার্টি' বলে মমতার রাণাঘাটের সভায় বলা ওয়াশিং মেশিনের জবাব দিলেন বৈশাখী।'