বোলপুরে গিয়ে অমিত শাহর দেওয়া সোনার বাংলার গড়ার প্রতিশ্রুতিকে কটাক্ষ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আগেই সোনার বাংলা রচনা করে গিয়েছেন। নতুন করে আরও সোনার বাংলার প্রয়োজন নেই। এই বলে বোলপুরের সভা থেকে বিজেপিকে কটাক্ষ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই, গোটা রাজ্য জুড়ে সোনার বাংলা প্রচার কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি। বিধানসভা ভোটের আগে এই সোনার বাংলা কর্মসূচি লক্ষ্য প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে পৌঁছে দেবেন বিজেপির বিশিষ্ট নেতারা।

আরও পড়ুন-সৌরভের বাড়িতে বৈঠকে অশোক, আটকে যেতে পারে রাজনীতিতে মহারাজের অভিষেক

বুধবার, এক সাংবাদিক সম্মেলন এই সোনার বাংলা কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা করেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত এবং ডাঃ অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্য়ায়। অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ''গত পঞ্চাশ বছরে পশ্চিমবঙ্গকে দরদর্শিতাকে দেওয়া হয়নি। আমরা সোনার বাংলার কথা বারবার বলছি। সেই লক্ষ্যে আমরা দূরদর্শিতাকে সামনে রেখে কিছু পরিকল্পনা নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে যাব। ২০২২ সালে পশ্চিমবঙ্গ গঠনে ৭৫ বছরপূর্তি করবে। তার আগে এখনও পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ কী পয়েছে। বর্তমানের রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার অবস্থা খুবই খারাপ। আর্থিত গতি তলানিতে ঠেকেছে। পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রীকে দেখা যায় না। এইসব নিয়ে রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে সোনার বাংলা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে''। 

আরও পড়ুন-আদিবাসী গ্রামে খুন্তি নাড়লেন মুখ্যমন্ত্রী, শুনলেন তাঁদের অভাব-অভিযোগ

তিনি আরও  বলেন, ''রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে সোনার বাংলা কর্মসূচিতে প্রচার চালাবেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গরা। আগামী ২ থেকে ২০ জানুয়ারি প্রতিটি কেন্দ্রে প্রচার শুরু হবে। বাংলার মানুষ তাঁদের রাজ্যের জন্য কী ভাবছেন। এইসব নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে যাবেন বিশিষ্টজনেরা। বর্তমানে নারী নির্যাতনে পশ্চিমবঙ্গের স্থান অনেক ঊর্ধ্বে। ২৯৪টি আসনে ৫০ জনের একটি দল বিভিন্ন জায়গায় প্রচার চালাবে''। বললেন ডাঃ অর্নিবার্ণ গঙ্গোপাধ্য়ায়।