'১৮র উত্তর তোলা থাকবে ১৯ তারিখের সভায়', এমনটাই হুঙ্কার দিয়েই নন্দীগ্রামের সভা থেকে তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। উল্লেখ্য,শুক্রবার একই দিনে বাংলায় ভিন্ন দলের পৃথক সভা। একদিকে ধর্মতলায় কংগ্রেসের সভায় ছিল অধীর চৌধুরী। অপরদিকে তৃণমূলের সভার পাশাপাশি নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর সভা। ইতিমধ্য়েই উপস্থিত হয়েছেন মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয় এবং শুভেন্দু অধিকারী।  


শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আজ এখানে ৪১ জনের মধ্য়ে ৩০ জন শহিদদের পরিবার এসেছে। উল্লেখ্য, নন্দীগ্রামে সভার শুরুর দিকে আংশিক বিশৃঙ্খলা হয়। সভা চলাকালীন তৃণমূলের বিরুদ্ধে ঢিল ছোঁড়ার অভিযোগ ওঠে। এই প্রসঙ্গে 'মা-মাটি-মানুষ'-র সরকারকে খোঁচা দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সিপিএমও কোনও দিন তৃণমূলের সভায় ঢিল ছোঁড়েনি। এদিকে তৃণমূলের সভার তারিখের পাশাপাশি বিজেপির সভার তারিখও রাখা হয়েছে একই জায়গায়, এমন চাপান উতোর চলছিল রাজনৈতিক মহলে। এনিয়ে তৃণমূলও অভিযোগ তোলে। কিন্তু শেষ অবধি শুভেন্দু বলে, তৃণমূল নিজে বলে নিজেরাই তারিখ পিছিয়ে ১৮ তারিখে মমতার আসার দিন ঠিক করেছে। তাই এবার আগাম বলে রাখেন, ১৮ জানুয়ারী মমতার নন্দীগ্রামের সভার উত্তর তোলা থাকবে ১৯ তারিখ  শুভেন্দুর সভায়।

অপরদিকে, দিলীপ ঘোষ বলেন, বাংলায় নারী সুরক্ষা নেই। মা-বোনেরা ভয়ে রাস্তায় বেরোতে পারে না। এরাজ্যে ধর্ষিতাদের পুলিশরা সারা রাত থানায় বসিয়ে রেখেও অভিযোগ নেয় না, বলে তিনি পার্কস্ট্রিট কাণ্ডের উদাহরণ দেন। আরও বলেন এখানে কোন পুলিশ অফিসার কাজ করতে চাইলে তাঁকে ট্রান্সফার করে দেওয়া হয়। এখানেই থেমে থাকেননি দিলীপ। তিনি আরও বলেন, ক্ষমতায় এসে বাংলার গরীব মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেবে বিজেপি। জল-বিদ্যুৎ সমস্ত পরিষেবা মিলবে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও। এর পাশাপাশি তিনি বলেন, বিজেপি করলেই মিথ্য়ে অভিযোগে জেলে ঢোকাচ্ছে এই রাজ্য়ের সরকার। তাঁর বিরুদ্ধেও মিথ্যে অসংখ্য মিথ্য়ে মামলা করা হয়েছে। বিজেপির বিরুদ্ধে মিথ্যে ২৯ হাজার কেস ফাইল করেছে তৃণমূল। তাই এই সব কিছুরই উত্তর দেবেন বলে জানান বিজেপি।