আব্বাসকে বামেরা আসন ছাড়লেও দাবি মানতে নারাজ কংগ্রেস।  শুক্রবার প্রদেশ কংগ্রেস নের্তৃত্ব স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আব্বাসের দাবি মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। এই পরিস্থিতি বামেদের দিকের জট কাটলেও জট অব্যাহত অধীর বিগ্রেডে।
 

আরও পড়ুন, নিমতিতা বিস্ফোরণ কাণ্ডে নয়া মোড়, মন্ত্রীর উপর প্রাণঘাতী হামলায় CID তদন্তে বেরোল মিসিং লিঙ্ক 

 

 আব্বাসকে ২৭ টি আসন ছাড়ে বামেরা। তার মধ্য়ে ২০ আসনই দেবে সিপিআইএম। শরিকদের কাছে থেকে চাওয়া হয়েছে ৭ টি আসন। সূত্রের খবর, ২০ টি আসনের মধ্যে ফরওয়ার্ড ব্লক এৎ থেকে ৪ টি, আরএসপি থেকে ২ টি, সিপিআই এর থেকে ১ টি আসন চাওয়া হয়েছে। এদিকে দাবি মানা সম্ভব নয়, সাফ জানাল কংগ্রেস। ছন্দপতন আব্বাস  সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের অন্তর্ভূক্তিতে।প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই আসন রফা নিয়ে বাম এবং কংগ্রেসের সঙ্গে আলোচনায় বসে আইএসএফ। দুই দলের থেকে মোট ৪৫ আসন দাবি করেছিল আইএসএফ নের্তৃত্ব। এর মধ্য়ে বামেদের ৩০ টি এবং কংগ্রেসের ১৪ টি আসন। তবে এখানে আইএসএফের চাওয়া আসনের অধিকাংশই ছাড়তে রাজি বামেরা। শুক্রবার প্রদেশ কংগ্রেস নের্তৃত্ব স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আব্বাসের দাবি মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। মুর্শিদাবাদে ও মালদহে একটাও আসন ছাড়া যাবে না। 

 আরও পড়ুন, Election Live Update- নীতি আয়োগের সভায় মোদী, বৈঠকে নেই মমতা  


অপরদিকে,  এমন পরিস্থিতিতে একুশের নির্বাচনে জোটে ত্রিকোণ যুদ্ধের ফলে তৃণমূল না বিজেপির কার বেশি সুবিধা হবে, এই প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন , ' একটাসময়   অ্যান্টি মমতা ভোটে বিভক্ত হত। তবে এখন  আমাদের বাংলা জয়ের সময় এসে গিয়েছে।  অ্যান্টি বিজেপি ভোটে যা বন্টন  হওয়ার, হোক'-হাওয়ায় ওড়ালেন শাহ। আরও বললেন, 'কংগ্রেস এবং বামেদের জোট কতটা শক্তিশালী হবে, তার উপরেই দাঁড়িয়ে আছে তৃণমূলের ভবিষ্যত। এবং তিনি এটাও জানান, যে ২০০ এর বেশি সিট পেয়েই ভোট যুদ্ধে জয়ী হবে বিজেপি।'