দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান। খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলার অবশেষে রায় ঘোষণা করল এনআইএ-র বিশেষ আদালত। ২০১৪ সালের ওই মামলায় ৩১ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল আদালত। এদের মধ্যে ৩০ জনের সাজা আগেই ঘোষণা করেছিল আদালত। এবার খাগড়াগড় বিস্ফোরণের মূলচক্রী কওসরকে ২৯ বছরের সাজা ঘোষণা করল আদালত। খাগড়াগড়ের পাশাপাশি বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণেও নাম জড়ায় কওসরের। মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, বর্ধমানে বিভিন্ন মাদ্রাসাতে অস্ত্র প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছিল কওসর।

আরও পড়ুন-'রথে লোক না হওয়ায় চলে গিয়েছেন নাড্ডা', খড়গপুরের খোঁচার উত্তর আজই দিলেন অনুব্রত

সাল ২০১৪। ২ অক্টোবর একটি বাড়ি থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল খাগড়াগড়। ঘটনার জঙ্গি যোগের আশঙ্কা আগেই করা হয়েছিল। এরপরই, ঘটনার তদন্তে নামে কেন্দ্রীয় সংস্থা ন্য়াশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এনআইএ। এই বিস্ফোরণের নেপথ্যে বাংলাদেশের কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠন জেএমবি বা জামাত উল মুজাহিদিন নামে জঙ্গি সংগঠনের নাম প্রকাশ্যে আসে। খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণের পরই বাংলাদেশে চম্পট দেয় মূলচক্রী কওসর। সেখানে প্রায় ৪ বছর থাকার পর ২০১৮ সালে ফের ভারতে ফিরে জঙ্গি কার্যকলাপের ষড়যন্ত্র করে। ২০১৮ সালে বেঙ্গালুরু থেকে কওসরকে ফাঁদ পেতে গ্রেফতার করে এনআইএ। 
আরও পড়ুন-'মালদহে কি আমরা কিছু পাব না, এবার শূন্য হাতে ফিরব না', আক্ষেপের মাঝেও প্রত্য়য়ীর সুর মমতার

সেই মামলায় ৩০ জনের সাজা ঘোষণা হলেও, বাকি ছিল কওসরের সাজা ঘোষণা। বুধবার কওসরকে ২৯ বছর কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় এনআইএ আদালত। জানাগেছে, বর্ধমানে বিস্ফোরের পর থেকে ভারত থেকে বাংলাদেশে আস্তানা গাড়ে কওসর। কেরলে কওসরের এক সঙ্গী ধরা পড়তেই বেকায়দায় পড়ে কওসর। ভারতে ফিরে পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খন্ড, বিহারের বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে বেড়ায় সে। শেষমেষ, এনআইএ-র কাছে খবর আসে বেঙ্গালুরুতে রয়েছে কওসর। সেইমতো অভিযান চালিয়ে কওসরকে গ্রেফতার করে এনআইএ।