মন্ত্রীসভা থেকে বনমন্ত্রী রাজীবের ইস্তফার সঙ্গেই শুরু নয়া জল্পনা। প্রথমটা সারা বাংলা জুড়ে একটা প্রশ্ন, রাজীব বন্দ্য়োপাধ্যায় কি বাংলায় শাহ সফরের দিনে বিজেপিতে যোগ দান করছেন। উল্লেখ্য, বাংলায় ৩০ জানুয়ারি আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিকে সম্প্রতি মন্ত্রিসভা ও দল ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন লক্ষীরতন শুক্লাও। তবে এই দুই জনই নয়, লাইনটা অনেক লম্বা। সর্বত্র একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, শাহ সফরে আরও কারা কারা বিজেপি যোগের সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন।

 

 

গেরুয়া শিবিরের দাবি, ৩০ জানুয়ারি শাহ-র বাংলা সফরে বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন ১৭ জন তৃণমূল নেতা। শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যাওয়ার পরই বলেছিলেন, তাঁর পরিবারে তিনি পদ্ম ফোঁটাবেনই। এদিকে ডায়মন্ডহারবারের সভায় অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায় , শুভেন্দুকে চ্যালেঞ্জ করে বলেছিলেন, ক্ষমতা থাকলে পুরো অধিকারী পরিবারে পদ্ম ফুঁটিয়ে দেখাক শুভেন্দু। এদিকে বুমেরাং হয়ে সেই কথা ফিরেছে। একথা বলতে না বলতেই শুভেন্দুর হাত ধরে বিজেপি যোগ দিয়েছেন ভাই সৌমেন্দু অধিকারী। এদিকে এখন শুধু খাতায় কলমেই তৃণমূলে রয়েছেন শুভেন্দুর বাবা এবং ভাই। থাকেননি মমতার নন্দীগ্রাম সহ তৃণমূলের হেভিওয়েটের কোনও সভাতেই। তাহলে তাঁদেরও বিজেপি যোগ দানের সম্ভাবনা বাড়ছে বলে মত রাজনৈতিক মহলে।

বিজেপির দাবি, এছাড়াও তৃণমূল ছেড়ে যারা পদ্মের মুখের সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন, তাঁরা হলেন- জিতেন্দ্র তিওয়ারি , সাধন পান্ডে, আবির বিশ্বাস, সিএস জাটুয়া, বিশ্বনাথ পারিয়াল, দিলীপ জাটুয়া, দীপক অধিকারী, প্রতিমা মন্ডল, অফরিন আলী, লক্ষীরতন শুক্লা, বৈশালী ডালমিয়া, শঙ্কর সিং, বিধায়ক উদয়ন গুহ এবং তৃণমূল বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল। সুতরাং নতুন বছরের প্রথম মাসেই তৃণমূলের আরও বড়সড় ভাঙণ অপেক্ষা করছে বলে চাপানউতোর রাজ্য-রাজনীতিতে।