ব্রিগেডে বিপুল জনসমাগম। আর তার সামনে রবিবার বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নির্বাচন ঘোষণারপর প্রথম প্রচার সভা। স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যের শাসক দল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীবর আক্রমণ করলেন নরেন্দ্র মোদী। অন্যান্য বিভিন্ন বিষয়ের মতো তিনি মমতাকেআক্রমণ করলেন পরিবারতন্ত্র প্রসঙ্গেও।

এদিন ব্রিগেড সমাবেশের মঞ্চ থেকে নরেন্দ্র মোদী বলেন, বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সকলের 'দিদি' হিসাবে দেখতে চেয়েছিল। কিন্তু, তিনি 'একজনের পিসি' হয়ে উঠেছেন। নিজের ভাইপোর কথাই শুধু ভেবেছেন, নিজের ভাইপোর আহ্লাদ মেটাতেই ব্যস্ত। বাংলার অন্যান্য ভাইপো-ভাইঝিদের নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও মাথা ব্যথা নেই।

প্রধানমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন, পরিবারতন্ত্রের বিরোধিতা করেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জাতীয় কংগ্রেস ত্যাগ করেছিলেন। তৈরি করেছিলেন নতুন দল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু, দল ছেড়ে এলেও মননে এখনও তিনি কংগ্রেসীই থেকে গিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন মোদী। আর সেই কারণেই নিজের ভাইপোর উন্নয়নই করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিবারতন্ত্রের রোগ থেকে মুক্ত হতে পারেননি।

বস্তুত, বিরোধী দলগুলির বিরুদ্ধে বরাবরই পরিবারতন্ত্রের অভিযোগ তুলে সফল হয়েছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় স্তরে এর সবচেয়ে বড় মূল্য চোকাতে হয়েছে রাহুল গান্ধীকে। এছাড়া একইভাবে উত্তরপ্রদেশে অখিলেশ যাদব, মহারাষ্ট্রে আদিত্য ঠাকরে, বিহারে তেজস্বী যাদবদের বিরুদ্ধে একই আক্রমণ চালিয়েছে গেরুয়া শিবির। এইবার বাংলাতেও একইরকম আক্রমণ গড়ে তুলেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। বাংলায় এই কৌশল কতটা সফল হয়, ২ মে-ই তার প্রমাণ পাওয়া যাবে।