তৃণমূল কর্মীর 'গলা কেটে কুপিয়ে খুন' হরিহরপাড়া এলাকায়। উল্লেখ্য, কয়েকদিন ধরেই রাজনৈতিক কারণে সংঘর্ষের জেরে উত্তপ্ত হরিহরপাড়া এলাকা। তারই মধ্যে  তৃণমূল কর্মীর গলা কেটে খুনের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ালো বুধবার। বছর ৩৮ এর মৃত ওই তৃণমূল কর্মীর নাম বাদল ঘোষ।

আরও পড়ুন, ভয়াবহ কোভিডের মাঝেও থামেনি হিংসা, বোমাবাজিতে ছিন্নভিন্ন হয়ে মৃত্যু কংগ্রেস কর্মীর 


তৃণমূলের অভিযোগ , 'কংগ্রেস ও সিপিএম আশ্রিত দুষ্কৃতীরা খুন করেছে বাদলকে।  হরিহরপাড়ার চোঁয়া গ্রাম  এলাকার রাস্তার উপর থেকে উদ্ধার হয় বাদল ঘোষের নিথর দেহ। এলাকার সূত্রে জানা যায়,বাদল ঘোষ ও তার এক সঙ্গী বাজার থেকে সাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিল। গ্রামে ঢোকার আগে তার সাইকেল দাঁড় করিয়ে এলোপাতাড়িভাবে তাকে কোপান হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বাদলের। ধারাল অস্ত্রের কোপে তার মাথা দেহ থেকে আলাদা হয়ে যায়। সঙ্গে থাকা তার সঙ্গী দৌড় পালিয়ে যায়। খুনের পর বোমাবাজিও করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়  পুলিস। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাসি শুরু হয়েছে।'

আরও পড়ুন, কোভিড সত্বেও অন্তিম যাত্রায় রাষ্ট্রীয় সম্মান, শঙ্খ ঘোষের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর 


অপরদিকে তৃণমূলের আরও অভিযোগ, গত কয়েকদিন ধরে লাগাতার হামলা হচ্ছে তৃণমূলের ওপর একাধিক নেতা কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর হয়েছে বোমাবাজি হচ্ছে বাম কংগ্রেস  মিলিতভাবে সন্ত্রাস করছে এলাকা দখলের জন্য। । তাই তৃণমূল কর্মীকে নিশংস ভাবে খুন করা হয়েছে। এদিকে এ ঘটনায় মৃতের ভাইপো উৎপল ঘোষ একাধিক জনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। যার মধ্যে সনাতন ঘোষ মূল অভিযুক্ত।  শেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে নিশংস এই খুনের ঘটনায় একজনকে আটক করা সম্ভব হয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।যদিও বিরোধীদের দাবি  জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ওই তৃণমূল কর্মী বাদল ঘোষ কে খুন হতে হয়েছে তার নিজের দলের সমর্থকদের হাতে। সব মিলিয়ে পুরো ঘটনায় তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। যেকোনো মুহূর্তে বড়োসড়ো কান্ড ঘটে যাওয়ার আশঙ্কায় এলাকাজুড়ে চাপা উত্তেজনা রয়েছে ।