ড. দেবর্ষি ভট্টাচার্য, প্রতিবেদক---  দল বদল আর ভোল বদলের প্লাবনে তোলপাড় বঙ্গ রাজনীতির রঙ্গমঞ্চ। রাজ্য তথা জাতীয় রাজনীতিতে দলবদল তো আর নতুন কথা নয়। সেই প্রাক স্বাধীনতা কালে নেতাজীও দল ছেড়ে নতুন দল গড়েছিলেন। ইন্দিরা গান্ধী জাতীয় কংগ্রেস ভেঙে ইন্দিরা কংগ্রেসের জন্ম দিয়েছিলেন। ভারতের কম্যুনিস্ট পার্টিতে ভাঙন হয়েছে বেশ কয়েক বার। পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেস ভেঙেও বিভিন্ন সময়ে বেশ কিছু নতুন দল তৈরি হয়েছে কিছু বিশিষ্ট নেতা-নেত্রীর হাত ধরে। ফলস্বরূপ, নেতা-নেত্রীরা দল গড়েছেন, দল ছেড়েছেন বা অন্য দলে গেছেন, এমন ঝুরি ঝুরি উদাহরণ রয়েছে বঙ্গ তথা জাতীয় রাজনীতির ছত্রে ছত্রে। কিন্তু অতিতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গেছে যে, দল ছাড়া বা দল গড়ার পেছনে মূলত মতাদর্শগত সংঘাতই প্রাধান্য পেয়েছিল। বিশেষত কম্যুনিস্ট পার্টিগুলোর ভাঙনের ক্ষেত্রে তো বটেই। অর্থাৎ, কিছু ব্যাতিক্রম বাদ দিলে, কয়েক দশক আগে অবধিও রাজনৈতিক মূল্যবোধের কিছুমাত্র অন্তত অবশিষ্ট ছিল। কিন্তু বিগত কমবেশি এক দশক কাল ধরে বঙ্গ রাজনীতিতে দলবদলের হাত ধরে যেভাবে ক্ষমতা দখলের প্রদর্শনী বারংবার চিত্রায়িত হয়ে চলেছে, তাতে যে রাজনৈতিক মূল্যবোধের চরমতম দেউলিয়াপনাকেই প্রকট করে তুলেছে, এই বিষয়ে সংশয়ের অবকাশ মাত্রটুকু আর থাকছে না।    

      
সত্যি এ যেন এক অস্থির সময়, রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিত্তি এবং রাজনৈতিক  মূল্যবোধের অস্তিত্ব যখন প্রবল সংকটে। কোন একটি রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীরা সেই দলের প্রতীকে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হচ্ছেন জনগণের ভোটে। অথচ নির্বাচিত হওয়ার পরে সেই রাজনৈতিক দলকে ভেলকিবাজি দেখিয়ে এবং নির্বাচক মণ্ডলীর রায়কে বিন্দুমাত্র সন্মান না জানিয়ে বেশ কিছু জনপ্রতিনিধি দলবদল করে ফেলছেন নিজেদের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির অমূল্য পাটিগণিতের চুলচেরা হিসেবনিকেশ করে! যদি কোন ভোটপ্রার্থী কোন রাজনৈতিক দলের প্রতীকের সাহায্য না নিয়ে নিজ প্রতীকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে থাকেন এবং তৎপরে কোন রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় চলে আসেন, সেক্ষেত্রে তাঁর নির্বাচক মণ্ডলীর প্রতি বিশ্বাসঘাতকতার প্রশ্ন উঠলেও, কোন রাজনৈতিক দলের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগটা অন্তত উঠে আসে না। কিন্তু যখন কোন ভোটপ্রার্থী কোন রাজনৈতিক দলের প্রতীকে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে যান এবং তৎপরে পুনরায় নির্বাচক মণ্ডলীর রায় গ্রহণের আবশ্যিকতাকে কোন রকম গুরুত্ব না দিয়েই নিজ ইচ্ছায় দল বদলে ফেলেন, সেক্ষেত্রে তিনি যে দলের প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচিত হয়েছেন এবং তাঁর নির্বাচক মণ্ডলী, এই দুই তরফের প্রতিই বিশ্বাসঘাতকতার প্রশ্নটা প্রবলভাবে উঠে আসে বৈকি। কিছু ব্যাতিক্রম থাকলেও, নিজেদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ সযত্নে গুছিয়ে রাখার অদম্য প্রয়াসই হল হালফিলের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মূল রাজনৈতিক মন্ত্র। চুলোয় যাক না মানুষ এবং তাঁদের দেওয়া নির্বাচনী রায়! বৈদ্যুতিন মাধ্যমের ক্যামেরা তাক করলে না হয় তোতাপাখির মতো সেই অমোঘ বুলি আওড়ে নেওয়া যাবে ... “মানুষই শেষ কথা বলবে!” সেই সকল দল বদলী রাজনৈতিক মানুষেরা বিলক্ষণ জানেন, সব দেখে বুঝেও মানুষের কিছুই বলার উপায় নেই। মানুষের কথা বলার তো একমাত্র সুযোগ আসে সেই পাঁচ বছর অন্তর। তাও যদি মানুষকে কথা বলার আদৌ কোন সুযোগ দেওয়া হয়!    


রাজনৈতিক মূল্যবোধের এই ক্রমহ্রাসমান অধ্যায় কিন্তু হঠাৎ করে ভুঁইফোঁড়ের মতো  উঠে আসেনি। পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে দলবদলের হাত ধরে ক্ষমতা দখলের রাজনীতির আধিপত্য কিন্তু বিগত এক দশক বা তার বেশি কিছুকাল ধরেই। কোনরকম পুনঃনির্বাচন ছাড়াই জনগণের দ্বারা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের রাতারাতি দলবদল করিয়ে একদিকে একের পর এক অন্য দল গঠিত পুরসভা ও পঞ্চায়েতের ক্ষমতা দখল এবং তৎপরে সংবাদ মাধ্যম আলো করে দখলদারি দলের শীর্ষ নেতা-নেত্রীদের গর্বিত আস্ফালন। সেই একচ্ছত্রবাদ বিস্তারের সময় নির্বাচক মণ্ডলী প্রদত্ত নির্বাচনী রায়ের কথা ভাবার আর ফুরসৎ কোথায়! রাজনৈতিক মূল্যবোধকে সন্মান জানানোর দায়িত্ববোধের প্রশ্ন খুঁচিয়ে তোলারই বা অবকাশই কোথায়! বরং সেই সন্ধিক্ষণে নীতি আদর্শ বিহীন দলবদলকে জনমানসে যুক্তিগ্রাহ্য করে তোলার অভিপ্রায়ে ‘অনুপ্রেরণার’ সাফাইয়ের বন্যাকে প্রকট করে প্রচার করাই যেন প্রচলিত রীতি! জনপ্রতিনিধিত্ব থেকে ইস্তফা না দিয়েই একের পর এক অন্য দলীয় নির্বাচিত বিধায়কদের নিজ দলে দলবদলের সময় নৈতিকতা ও রাজনৈতিক মূল্যবোধের কথা ভাবার প্রয়োজনীয়তা ঘুণাক্ষরেও মাথায় আসেনি! রাজনৈতিক তরঙ্গের উত্থান পতনের হাত ধরে এই দলবদল আর দখল তত্ত্ব যে কোন একদিন বুমেরাং হয়ে ফিরে আসতে পারে, এমন রাজনৈতিক দূরদৃষ্টি থেকে থাকলেও তাৎক্ষনিক রাজনৈতিক একচ্ছত্রবাদের উল্লাসে ভবিষ্যতের ধিকিধিকি আগুনের আঁচটা ইচ্ছাকৃত ভাবেই চেপে রাখা হয়েছিল! যার নির্ঘাত ফল হল, ন্যায় নীতিকে শিকেয় তুলে কেবলমাত্র ব্যাক্তিগত প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির নিরিখে দলে দলে ক্রমাগত দল বদল এবং একই সঙ্গে পাল্টা দলবদল। একদিন যে দল অন্য দলের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের রাতারাতি দলবদল করিয়ে বীর দর্পে গর্বহাসিতে ফেটে পড়তো, আজ সেই দলকেই ফ্যালফ্যাল দৃষ্টিতে চেয়ে দেখতে হচ্ছে নিজ দল থেকে অন্য দলে ঝাঁপ দেওয়ার হিড়িক! পরশু অন্য দলকেও নিশ্চিতভাবে নীরবে দেখে যেতে হবে নিজ দল থেকে দলে দলে অন্য কোন দলে সুবিধা মতো ভিরে যাওয়ার থিকথিক ভিড়। কারণ এই সকল দল বদলী রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা বিলক্ষণ বুঝে নিয়েছেন যে, মানুষকে প্রয়োজন শুধুমাত্র নির্বাচনের সময়ই। আর একবার নির্বাচনী বৈতরণী পেরিয়ে আসতে পারলেই ক্ষমতার প্রশস্ত ময়দানটা পড়ে থাকবে রাজনৈতিক খেলোয়াড়দের ক্রমাগত ওলটপালটের আতিশয্যের জন্য! এ যেন কৈশোরে প্রত্যক্ষ করা অন্য ক্লাবের খেলোয়াড় ছিনিয়ে আনার রোমহর্ষক চিত্রনাট্যের হুবহু পুনঃদৃশ্যায়ন! মোহনবাগানের হাত থেকে ইস্টবেঙ্গলের খেলোয়াড় ছিনিয়ে আনা অথবা ঠিক উল্টোটা। বঙ্গ রাজনীতির বর্তমান রঙ্গরস যেন এক লহমায় আমার মতো অজস্র প্রৌঢ়দের আচমকা কৈশোর ফিরিয়ে আনল!          

 
বর্তমান রাজনৈতিক আবহের প্রেক্ষিতে যে সংশয় এবং অবিশ্বাসের বাতাবরণ পশ্চিমবঙ্গের আপামর নির্বাচক মণ্ডলীর ভবিতব্যকে আচ্ছাদিত করে রেখেছে, তা কিন্তু যথেষ্ট শিউরে ওঠার মতোই। কারণ, ঘটনাচক্রে এই দল বদলী রাজনৈতিক মানুষগুলোই রাজ্যের চিরায়ত দণ্ডমুণ্ডের কর্তা-কত্রী হয়েই থেকে যাবেন, রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল হোক বা না হোক। জনগণ যে রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন, একবার নির্বাচিত হয়ে গেলে, রাজনৈতিক মূল্যবোধ বা তাঁর নির্বাচক মণ্ডলীর কাছে সেই প্রার্থীর এতটুকুও দায় থাকবে না, যখন তিনি বর্তমান ক্ষমতাসীন বা ভবিষ্যৎ ক্ষমতার আস্বাদ পাওয়া দলের থেকে দলবদলের অমূল্য প্রস্তাব (লোভনীয় কিনা জানা নেই!) সানন্দচিত্তে গ্রহণ করবেন। এইভাবেই রাজনৈতিক বিশ্বাসে দেউলিয়া তথাকথিত রাজনৈতিক মানুষগুলোই এ-দল না হয় সে-দলে ভিরে গিয়ে নখদন্তহীন জনতার ওপর সর্বকালীন খবরদারী করে যাবেন। আর এই দলবদলে লাভবান ও ক্ষতিগ্রস্ত, উভয় রাজনৈতিক দলের মাতব্বররা বৈদ্যুতিন মাধ্যমের ঝকঝকে রূপালী পর্দায় উপনীত হয়ে সেই ন্যায়-নীতি বিহীন দলবদলকে কেন্দ্র করে কাজিয়ায় মেতে উঠে আপামর আমজনতাকে বিভ্রান্তির বাতাবরণে ঢেকে দিতে প্রাণপণ চেষ্টা করে যাবেন।      


এ হেন প্রেক্ষিতে, জনগণ যে দলকে ভোটে জিতিয়ে রাজনৈতিক ক্ষমতার দায়ভার অর্পণ করবেন, এমন কোন নিশ্চয়তাই বা কোথায় সেই রাজনৈতিক দলই ক্ষমতাসীন হবেন! জনতার ভোটে একবার নির্বাচিত হয়ে গেলে জনপ্রতিনিধিদের কর্মকাণ্ডের ওপর স্থবির জনতার আর কোন নিয়ন্ত্রণ থাকে না। সেই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি তাঁর নির্বাচক মণ্ডলীকে বিন্দুমাত্র তোয়াক্কা না করেই এবং তাঁর বর্তমান জনপ্রতিনিধিত্ব থেকে ইস্তফা না দিয়েই (দু একটি ব্যাতিক্রম ছাড়া) নিজ প্রয়োজন ও ইচ্ছানুসারে হইহই করে অন্য যে কোন দলে অনায়াসে ভিরে যেতে পারেন। যে রাজনৈতিক দলের আদ্যোপান্ত বিরোধিতা করে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন, এমনকি সেই প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলে ভিরতেও কোথাও এতটুকুও মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা হবে না। আর এই আবহ শুধুমাত্র বঙ্গীয় রাজনীতিতেই নয়, ভিন রাজ্যের ক্ষেত্রেও এই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ভারতের নির্বাচক মণ্ডলী মর্মে মর্মে প্রত্যক্ষ করেছেন। তা সে গতবারের বিহারের রাজ্য সরকার পুনর্গঠনের ক্ষেত্রেই হোক বা কর্ণাটকের বিধানসভা। জনাদেশ উলটে দিয়ে রাজনৈতিক ক্ষমতার পুনর্বিন্যাসের প্রত্যক্ষ কারিগর কিন্তু সেই দল বদলুরাই। ফলে শুধুমাত্র নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ইচ্ছা ও প্রয়োজন অনুসারে ক্ষমতার বিন্যাসেও আমূল পরিবর্তন আনতে পারে, যে বিন্যাসকে মান্যতা দিয়ে জনগণ আদৌ ভোট দেননি। পশ্চিমবঙ্গের আনাচে কানাচে একের পর এক পুরসভা ও পঞ্চায়েত দখল করে ক্ষমতার পুনর্বিন্যাস ঘটানোর অজস্র উদাহরণ বিগত কয়েক বছরে রাজ্যের নির্বাচক মণ্ডলী নির্বাক হয়ে প্রত্যক্ষ করে এসেছেন। যে রাজনৈতিক দল পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ ক্ষমতাসীন হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে তাল ঠুকছে, ক্ষমতায় এলে তারাও যে একই চিত্রনাট্য পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে চিত্রায়িত করবেন, সেকথাও রাজ্যের নির্বাচক মণ্ডলীর কাছে বিলক্ষণ অনুমেয়। সবচেয়ে চমকপ্রদ ঘটনাটা হল, এত কিছু জেনে-বুঝে নেওয়ার পরেও আমজনতা কিন্তু আবার সেই মানুষগুলোকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন, যারা জনতার রায়কে তাচ্ছিল্য করেই নিজ ইচ্ছানুসারে ক্রমাগত দলবদল করে এসেছেন! আর এইখানেই হল ‘ট্র্যাভেস্টি অফ ইন্ডিয়ান পলিটিক্স’!     


তাহলে রাজ্য তথা দেশ জুড়ে রাজনৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের এই গুণোত্তর অগ্রগতি কি এভাবে চলতেই থাকবে! শুধুমাত্র ক্ষমতার মোহে তথাকথিত আদর্শ ভিত্তিক কম্যুনিস্ট দলগুলো থেকেও যেভাবে ক্ষমতাসীন বা ক্ষমতার মসনদে সম্ভাব্য আসীন দলে ভিরে যাওয়ার হিড়িক লেগেছে, তাতে এই বার্তাই স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে, কম্যুনিস্ট দলগুলোও আর পাঁচটা দক্ষিণ পন্থী দলের মতোই ক্ষমতায় টিকে থাকার অমোঘ তাগিদে নীতি ভ্রষ্ট বহু নেতানেত্রীকেই এতদিন ধরে সযত্নে লালন করে এসেছিল। যার অবশ্যম্ভাবী ফলস্বরূপ ক্ষমতাচ্যুত হতেই রংচং ধুয়ে মুছে তাঁদের নগ্ন কঙ্কাল বেরিয়ে পড়েছে। আর দক্ষিণ পন্থী দলগুলোর অবস্থা তো আরও শোচনীয়। এ হেন রাজনৈতিক দুঃসময়ে অবলম্বন শুধু অন্তহীন প্রতীক্ষার প্রহর, রাজনীতির আঙিনা আবার কবে প্লাবিত হবে আদর্শ নির্ভর থইথই জ্যোৎস্নায়! আপাতত সেই অমোঘ বিশ্বাসকে আঁকড়ে ধরেই দিনযাপন, মানুষ একদিন ঠিক শেষ কথা বলবে। দেউলিয়া রাজনৈতিক মূল্যবোধকে মানুষ ঠিক একদিন পুনরুদ্ধার করে রাজনৈতিক আঙিনায় পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করবে। আর সেই উত্তাল জনপ্লাবনে ঠিক একদিন ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে রাজনীতির সরোবরের সকল কর্দমাক্ত কলুষ।      

(এই লেখায় যাবতীয় মতামত লেখক দেবর্ষি ভট্টাচার্যের, আমাদের এই বিভাগটি সম্পূর্ণভাবে স্বাধীন মতামত ব্যক্ত করার স্থল। এই প্রতিবেদনে কোনও তথ্যগত ভুল বা অন্যকোনও বিষয় বিতর্ক তৈরি করলে তার দায়ভার পুরোপুরি লেখকের। এর সঙ্গে এশিয়ানেট নিউজ বাংলার কোনও যোগ থাকবে না।) 


দেবর্ষি ভট্টাচার্য- পেশায় বঙ্গবাসী কলেজের বাণিজ্য শাখার বিভাগীয় প্রধান। কিন্তু, সমাজবিজ্ঞান নিয়ে লেখালেখিতে প্রবল ঝোঁক এবং আগ্রহ রয়েছে তাঁর। সিমলার ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ অ্যাডভান্সড স্টাডি-র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েটও তিনি।