সোমবার নন্দীগ্রামে সভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। অধিকারী পরিবারের সঙ্গে সংঘাতের মধ্য়েই সেই সভা করতে চলেছেন তিনি। অধিকারী পরিবারের কেউ কি থাকতে পারেন সেই সভায়? মমতার পাশে কী দেখা যাবে শিশির অধিকারী ও সৌমেন্দুকে? কী বলছেন অধিকারী পরিবারের সদস্যরা।

আরও পড়ুন-লক্ষ্য অধিকারীদের জবাব, সোমে নন্দীগ্রামে মমতার হাইভোল্টেজ সভা, পাল্টা পথে নামছে শুভেন্দু

সম্প্রতি, জেলা সভাপতির পদ থেকে অপসারিত হয়েছেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা শিশির অধিকারী। তা নিয়েও ঘাসফুল শিবিরের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। সেই সভায় তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী থাকতে পারেন কী? তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। যদিও, সূত্রের খবর নন্দীগ্রামে মমতার সভায় উপস্থিত থাকছেন না শিশির অধিকারী। তাঁকে তৃণমূলের তরফে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে অভিযোগ। কটাক্ষের সুরে শিশির অধিকারী বলেন, আমরা তো লস্ট কেস। নন্দীগ্রামে মমতার সভা নিয়ে আমাকে দলের তরফে কিছুই জানানো হয়নি। তাই সভায় যাওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। 

আরও পড়ুন-ঘরে ফিরলেন দলত্যাগী শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ সিরাজ খান, দুই জেলায় নেতৃত্বে বদল করল তৃণমূল

সূত্রের খবর, সোমবার নন্দীগ্রামে মমতার সভায় অধিকারী পরিবারের কেউ থাকছেন না। থাকছেন না তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী, থাকছেন ছোট ভাই সৌমেন্দু। আবার অধিকারী পরিবারের প্রধান সদস্য থাকছেন না বলেই ইঙ্গিত মিলেছে। এই অবস্থায় সোমবার নন্দীগ্রামের সভা থেকে অধিকারী পরিবারকে কী বার্তা দেবেবন মমতা? সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিকমহল। প্রসঙ্গত, শুভেন্দুর দলত্যাগের পর তাঁকে জবাব দিতে ৭ জানুয়ারি সভা করার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রী। বছর শেষে পূর্ব নির্ধারিত শেষমেষ বাতিল হয়ে যায়। নন্দীগ্রাম শহীদ দিবসে তৃণমূলের সেই হাইভোল্টেজ কর্মসূচি না হওয়ায় কটাক্ষ করেছিল বিজেপি। মমতা ভয় পেয়ে নন্দীগ্রামে সভা করেননি বলে দাবি করেছিল গেরুয়া শিবির। সেই সভার পাল্টা হিসেবে ৮ জানুয়ারি নন্দীগ্রামে সভা করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।