মঙ্গলবার গিয়ে বুধবারই ফিরেছিলেন দিল্লি থেকে। আর পর একদিন যেতে না যেতেই আবারও দিল্লিতে ডেকে পাঠান হল বিজেপির রাজ্যসভাপতি দিলীপ ঘোষকে। সঙ্গে ডেকে পাঠান হয়েছে বিজেপি নেতা মুকুল রায় ও রাজ্যের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তীকে। শুক্রবার কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের কথা রাজ্যের তিন নেতার। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তলব পেয়েই বৃহস্পতিবার রাতেই দিল্লি পৌঁছে গেছেন মুকুল রায়। এদিন সকালে দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন দিলীপ ঘোষ ও অমিতাভ চক্রবর্তী। তবে ওই বৈঠকে রাজ্য বিজেপির পর্যবেক্ষণ কৈলাস বিজয়বর্গীয়সব বাকি নেতারা যোগ দেবেন কিনা তা স্পষ্ট নয়। 


পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করেছে বিজেপি। তাই ভোট প্রস্তুতিতে কোনও রকম খামতি দেখতে রাজি নন বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বাংলা জয়ের লক্ষ্যে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব যাতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করেন সেদিকেই মূল নজর কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের। আর সেই কারণে দফায় দফায় বৈঠক হচ্ছে বলেও বিজেপি সূত্রের খবর। সূত্রের খবর, বিজেপি নেতা অমিত শাহ সবরকম দ্বন্দ্ব ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে বলেছেন রাজ্যের সব নেতাদের। সূত্রের খবর, কিছু কিছু ক্ষেত্রে তা হচ্ছে না দেখেই রাজ্যের তিন নেতাকে সতর্ক করার জন্য ডেকে পাঠান হয়েছে দিল্লিতে। যদিও দিলীপ ঘোষ বলেছেন এটা রুটিন বৈঠক। সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্যই ডেকে পাঠান হয়েছে তাঁদের। 

তবে কেন বিজেপি রাজ্যস্তরের তিন নেতাকে ডেকে পাঠান হয়েছে তা  এখনও স্পষ্ট নয় রাজ্য নেতৃত্বের কাছে। অনেকেই মনে করছেন অমিত শাহর বঙ্গ সফর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্যই দিলীপ ঘোষ আর মুকুল রায়কে একসঙ্গে ডেকে পাঠান হয়েছে। অমিত শাহ ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি আবারও বঙ্গ সফরে আসছেন। তবে এখনও পর্যন্ত সভাস্থল ঠিক ও সফরসূচি চূড়ান্ত হয়নি। অনেকেই আবার মনে করছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এই রাজ্যে আরও একবার দলবদলের সম্ভবনা রয়েছে। আর সেই কারণে আদি বনাম নব্য বিজেপি সদস্যদের দ্বন্দ্বে রাশ টানতেই এই বৈঠক।