রাজ্যে হিংসা এড়িয়ে গণতান্ত্রিক উপায়ে ভোট করার জন্যই আট দফায় বিধানসভা ভোট হচ্ছে। আর যদি সাহস থাকে তাহলে নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করা হোক। তেমনই জানিয়েছেন বিজেপি নেতা রাহুল সিন্হা। শুক্রবার বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পরেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন যে এই রাজ্যে বিজেপির নির্দেশেই আট দফায় নির্বাচন করা হচ্ছে। তারই উত্তর দিতে গিয়ে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন এই গণতান্ত্রিক উপায়ে যাতে রাজ্যের মানুষ ভোট দিতে পারেন সেই জন্যই কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

'২৩দিনের ফুটবল গ্রাউন্ডে খেলা হবে', কমিশনের সঙ্গে বিজেপিকে রীতিমত তোপ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ...

দেশে জিডিপি ০.৪ শতাংশ বৃদ্ধি, করোনা আবহেই আশার আলো দেখছেন বিশেষজ্ঞরা ...

রাহুল সিনহা বলেন, পশ্চিমবঙ্গে ভোট লুঠ হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায় খেলা হবে। এই রাজ্যে ভোটের নামে রক্তের হোলি খেলা হয়। মানুষ তার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। অন্যান্য রাজ্যে তা হয় না। আর ঠিক সেই কারণেই এই রাজ্যে আট দফায় নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন নিয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। কমিশন ভোটে শান্তিপূর্ণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

রাহুল সিনহা আরও বলেন যে আট দফায় নির্বাচন হলে তা কড়া নজরদারীতে হবে। তাতে ভোট লুঠের সম্ভাবনা কমবে। কারণ মানুষ যত বেশি ভোট দিতে পারবে ততই কমবে তৃণমূল কংগ্রেসের জেতার সুযোগ। সেই কারণেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষোভ বাড়ছে বলেও মনে করেন তিনি। তিনি আরও বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন হেরে ভূত হয়ে যাবে। এবার তৃণমূল কংগ্রেস হারবে। আর নির্বাচনে জয় হবে মানুষের। তিনি আরও বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজের ওপর বিশ্বাস থাকে, জনগণ যদি তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে থাকে  তাহলে ভয় কিসের। তিনি আরও বলেন নির্বাচন কমিশন যা করেছে তা বাংলার মানুষের স্বার্থে করেছে। আর সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করা জরুরি। 


অন্যদিকে বিজেপির রাজ্যসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, তৃণমূল কংগ্রেসের আদর্শের অবক্ষয় হয়েছে। অনেক নেতাই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে আসার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ২০০ আসনে লড়াই করে বিজেপি জিতবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন দিলীপ ঘোষ।