ডায়মন্ড হারবারে অভিষেকের সভা ঘিরে  প্রস্তুতি তুঙ্গে। এই ডায়মন্ড হারবারেই সভা করতে গিয়ে হামলার মুখোমুখি পড়েছিলেন জেপি নাড্ডা। তারপর গঙ্গায় অনেক জল বয়ে গিয়েছে। রাতারাতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দফতর থেকে দায়িত্বে থাকা ডিজি-মুখ্যসচিবকে তলবও করা হয়েছে। এবার তাই অপেক্ষায় সেই বিতর্কিত ডায়মন্ড হারবারে কী বলবেন অভিষেক, অপেক্ষায় বাংলায়। 


রবিবার ২৭শে ডিসেম্বর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি এবং ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ডায়মন্ড হারবার থানার অন্তর্গত কেল্লার মাঠে জনসভা করবেন। ইতিমধ্যেই সেই মাঠে সভামঞ্চ তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। ডায়মন্ড হারবার শহরের চারিদিকে অভিষেক ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দপাধ্যায়ের ফ্লেক্স, ছবিতে ছেয়ে দিয়েছেন তৃণমূল কর্মীরা। চারিদিকে লাগানো হয়েছে তৃণমূলের পতাকা। দুই সপ্তাহ আগেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা এই সভাস্থল থেকে সামান্য দূরে ডায়মন্ড হারবার রেডিও স্টেশন মাঠে কর্মীসভা করছেন। শুধু ডায়মন্ড হারবার নয়, রাজ্যের অন্যান্য বিধানসভা কেন্দ্রের মতো দক্ষিন ২৪ পরগনা জেলাতেও সবকটি বিধানসভা কেন্দ্রে নানা ধরনের কর্মীসভা ও জনসভা করছেন বিজেপি নেতৃত্ব। তবে বিজেপি এই জেলায় পাখির চোখ করেছে ডায়মন্ড হারবারকে। আর সেই কারনে একের পর এক কর্মসূচি এই জেলায় গ্রহণ করে চলেছেন বিজেপি কর্মীরা। সেই কারনে বিজেপিকে রুখে দিতে ডায়মন্ড হারবারে জনসভা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যুব তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই সেই সভাস্থল ঘুরে নিরাপত্তার বিষয়টি খতিয়ে দেখেছেন প্রশাসনের আধিকারিকরা।

প্রসঙ্গত, 'তোলাবাজ ভাইপো' ইতিমধ্য়েই শিরোণামে এসেছেন তিনি। নাম না করেই তাঁকে তীব্র আক্রমণ করেছেন সদ্য বিজেপিতে যোগদান করা শুভেন্দু অধিকারী। নাম না করে আসানসোলের মেয়রের কাজে বাধা প্রসঙ্গে কাটমানি দিতে হয় ভাইপোকে বলে তোপ দেগেছেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়ও। তাই এই তোপ এবং আক্রমণের পর কীভাবে নিজেকে রক্ষা করবেন, তা নিয়েই বাতাসে গুঞ্জন।