সারদাচিটফাণ্ডে ইডির দফতের হাজিরা দিলেন কামারহাটির তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মদন মিত্র। শুক্রবার তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। তবে নির্বাচন যখন দোরগোড়ায় তখন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তলব কিছুটা হলেও বিড়ম্বনায় ফেলেছে মদন মিত্রকে। কারণ এদিন ইডি অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে মদন মিত্র বলেন,' ইডি হাজিরা দিতে বললে অবশ্যই আমি হাজিরা দিতে বাধ্য। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর একটি কেন্দ্রীয় সরকার। তারা ডেকেছে, তাই আমি এসেছি। তবে নির্বাচনের সময় ২-৩ ঘণ্টা খুবই মূল্যবান।'   একই সঙ্গে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল প্রার্থী বলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকাকরী সংস্থাকে তিনি যথাসম্ভব সহযোগিতা করার চেষ্টা করবেন। তারা আবার ডাকতে তিনি অবশ্যই হাজিরা দেবেন। কিছুটা ভিন্ন সুরে বলেন এই দুঘণ্টার মধ্যে তিনি কমপক্ষে দুটি জায়গায় প্রচার সারতে পারতেন। 

সারদাকাণ্ডে তদন্ত করছে ইডি ও সিবিআই। সারদা চিটফান্ডকাণ্ডেই নাম জড়িয়ে পড়েছিল তৃণমূল নেতার। এর আগে একাধিকবার জেরা করা হয়েছিল মদন মিত্রকে। তাঁকে খোয়াতে হয়েছিল মন্ত্রিত্ব। প্রায় দুবছর জেলে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। পরবর্তীকালে জামিনে মুক্তি পান তিনি।  তবে বর্তমানে আবারও সারদা তন্ততে গতি এনেছে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি। সেই কারণেই বারবার তাঁকে বারবার তলব করা হয়েছে। 


অন্যদিকে ইডি সূত্রের খবর, নোটিশ পাঠান হয়েছে প্রাক্তন আইপিএস সুরজিৎ করপুরকায়স্থ ও রজত মজুমদারকে। আগামী সপ্তাহে দুজনকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছ। দিন কয়েক আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহর অঙ্গুলি হেলনেই চলছে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি। কে কখন কাকে গ্রেফতার  করবে কাকে জেরা করবে তা সবই নাকি ঠিক করেন অমিত শাহ। শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নয়। দেশের অধিকাংশ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির অভিযোগ বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতেই কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে ব্যবহার করা হচ্ছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেননি মদন মিত্র। কেন্দ্রীয় সংস্থা জেরার জন্য ডাকলে তিনি হাজিরা দেবেন বলেও জানিয়ে দিয়েছেন।