সব জল্পনার অবসান। বুধবারই ফের ভাঙছে তৃণমূল কংগ্রেস। গত কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে যোগীযোগ রাখছেন শান্তিপুরের তৃণমূল বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্ষ। অবশেষে এদিন গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাতে চলেছেন তিনি। এই জন্য এদিন তিনি নয়াদিল্লি রওনা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বিজেপির সদর দফতরে পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়র হাত ধরে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেবেন তিনি।

বিজেপি-তে যোগ দিতে রওনা দিলে বিধায়ক পদ তিনি ছাড়ছেন না বলেই জানা গিয়েছে। এই নিয়ে তাঁর বা তাঁর প্রাক্তন দল তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ২০১৬ সালে তিনি শান্তিপুর আসনে জয়ী হলেও, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের নিরিখে ওই আসনে ৩৫,০০০-এর বেশি ভোটে এগিয়ে ছিল বিজেপি। ৫৪.২ শতাংশ ভোট পেয়েছিল গেরুয়া শিবির। তারপর থেকেই জল্পনা তৈরি হয়েচিল, গেরুয়া শিবিরে যোগ দিতে পারেন কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে আসা, পেশায় আইনজীবী এই নেতা।   

হ্যাঁ, দল বদল অরিন্দম ভট্টাচার্যের কাছে নতুন কোনও বিষয় নয়। ৫ বছর আগে ২০১৬ সালের নির্বাচনে তিনি ছিলেন শান্তিপুরের বাম-কংগ্রেস প্রার্থী। বামেদের সমর্থনে কংগ্রেস প্রার্থী হিসাবেই জয়ী হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু, নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার জয়ী হতেই জার্সি বদল করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা ধরেছিলেন অরিন্দম। ৫ বছর পর আরও এক বিধানসভা ভোটের ঠিক আগেই ফের শিবির বদল করলেন তিনি। অরিন্দম ভট্টাচার্য এবার বিজেপি-তে।  

এদিকে কোচবিহার দক্ষিণ-এর বিধায়ক মিহির গোস্বামী বিধায়ক পদ না ছেড়েই তৃণমূল থেকে বিজেপি-তে যোগ দিয়েছেন। এই নিয়ে নৈতিকতার প্রশ্ন তুলে এদিন তাঁকে চিঠি দিয়েছেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়।