আগামীকালই তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ। ভোট হাওড়া, হুগলী আর দক্ষিণ ২৪ পরগণার ৩১টি আসনে। এডিআর-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই দফার নির্বাচনের ২০৫ জন প্রার্থীর মধ্যে মোট ৩৩জন অর্থাৎ ১৬ শতাংশ প্রার্থী কোটিপতি। আর ধনী প্রার্থীদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তারকেশ্বরের বিজেপি প্রার্থী তথা সাংবাদিক-রাজনীতিবিদ স্বপন দাশগুপ্তের নাম। রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ জানিয়েছেন তাঁর মোট সম্পদের মূল্য ৬ কোটিরও বেশি।

হলফনামায় তিনি জানিয়েছেন, ২০১৯-১০ সালে তাঁর বার্ষিক আয় ছিল ৩৯, ৫৬, ৪৬০ টাকা। আর তাঁর স্ত্রী রেশমি দাশগুপ্তের আয় ১৬,৯৫,৭২০ টাকা। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়ার সময় তাঁর হাতে নগদ অর্থ ছিল ৫.৯ লক্ষ টাকা। আর তাঁর সস্ত্রীর হাতে ছিল ৩.৬৭ লক্ষ টাকা। দেশ ও বিদেশ মিলিয়ে মোট ৭টি ব্যাঙ্ক আকাউন্টে তাঁর নামে রয়েছে ৬৮,৮১,৫২৬ টাকা। স্ত্রীর ব্যাঙ্কে  সঞ্চয় ২,৬৯,৬৭২ টাকা।

শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ডে লগ্নি করেছেন, ৩৯,১৯,৬৭৩ টাকা। স্ত্রী নামে প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা আছে, ৪২,৬০,৮০৪ টাকা। এছাড়া পোস্ট অফিসে তিনিও তাঁর স্ত্রী সঞ্চয় করেছেন যথাক্রমে ৫ ও ৬ লক্ষ টাকা। বিজেপি  প্রার্থীর নামে দুটি গাড়ি রয়েছে, যার সম্মিলিত বাজার মূল্য ২৫,০৮,০০০ টাকা। স্ত্রীর নামে রয়েছে আরেকটি গাড়ি, যার মূল্য ৮, ৭৫,০০০ হাজার টাকা। এছাড়া স্বপন দাসগুপ্তর নামে ৩৫,৯২,০০০ টাকা মূল্যের সোনা-দানা রয়েছে। স্ত্রীর রয়েছে ২০,৬৭,০০০ টাকার অলঙ্কার।

তিনি ও তাঁর স্ত্রী দুজনেই পেইন্টিং সংগ্রহ করেন, স্বপন দাশগুপ্ত স্ট্যাম্পও জমান। সেইসবের সম্মিলিত মূল্য ৩০ লক্ষ টাকা। সব মিলিয়ে তাঁর মোট অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৯৯ লক্ষ টাকার বেশি। আর তাঁর স্ত্রীর ৯৪ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। অর্থাৎ সম্মিলিত অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে ২ কো'f ৯৪ লক্ষ টাকার বেশি।

এর সঙ্গে সঙ্গে স্বপন ও রেশমি দাশগুপ্তের, দিল্লির চিত্তরঞ্জন পার্কে যৌথ মালিকানায় একটি ২৮০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট রয়েছে। যার বাজার দর ৩ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা। তাঁর বা তাঁর স্ত্রী নামে কোনও কৃষি জমি বা বাণিজ্যিক ভবন নেই।

সব মিলিয়ে বিজেপির তারকেশ্বরের প্রার্থী ও তাঁর স্ত্রীর সম্পদের মূল্য ৬,৬৯,৩১,৫৯০ টাকা।