পুজোর মুখে জাতীয় রাজনীতিতে বড়সড় দলবদলের জল্পনা। NCPI-এর ১৭ জন সাংসদ বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে দাবি করলেন কোচবিহারের সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পুজোর আগে অথবা পুজোর পরেই এই দলবদল হতে পারে। জগদীশের দাবি, NCPI-এর মোট ২০ জন সাংসদের মধ্যে ১৭ জন বিজেপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে প্রস্তুত।

পুজোর মুখে জাতীয় রাজনীতিতে বড়সড় দলবদলের জল্পনা। NCPI-এর ১৭ জন সাংসদ বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে দাবি করলেন কোচবিহারের সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পুজোর আগে অথবা পুজোর পরেই এই দলবদল হতে পারে। জগদীশের দাবি, NCPI-এর মোট ২০ জন সাংসদের মধ্যে ১৭ জন বিজেপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে প্রস্তুত। তবে তিন জন সংখ্যালঘু সাংসদ সরাসরি বিজেপিতে যোগ দেবেন না। তাঁরা NDA-কে বাইরে থেকে সমর্থন করবেন বলেই দাবি করেছেন তিনি। কেন ওই তিন সাংসদ বিজেপিতে যোগ দেবেন না, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন জগদীশ। তাঁর বক্তব্য, ওই সাংসদদের নির্বাচনী এলাকা সংখ্যালঘু অধ্যুষিত। ফলে সরাসরি বিজেপিতে যোগ দিলে তাঁদের রাজনৈতিক ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই তাঁদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে এবং তাঁরা NDA-র সঙ্গেই থাকবেন বলে দাবি তাঁর।

তিনি বলেন, "সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকার প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সমীকরণের কারণে আবু তাহেররা সরাসরি বিজেপিতে যোগ দিতে পারছেন না। তবে তাঁদের এনডিএ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর বা দায়িত্ব দেওয়া হবে।"

দলবিরোধী আইন নিয়ে কী বললেন জগদীশ?

একসঙ্গে এত জন সাংসদ দলবদল করলে দলবিরোধী আইনের আওতায় পড়ার আশঙ্কা থাকে। সেই প্রশ্নও উঠেছে। এ প্রসঙ্গে জগদীশের দাবি, NCPI-এর মোট ২০ জন সাংসদের মধ্যে অন্তত ১৪ জন একসঙ্গে দল ছাড়লেই দলবদল বিরোধী আইনের আওতা এড়ানো সম্ভব। তাঁর দাবি, তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন ১৭ জন সাংসদ। ফলে দলবিরোধী আইনের সমস্যা হবে না। তবে বিজেপিতে যোগদানের নির্দিষ্ট দিন এখনও জানানো হয়নি। জগদীশ জানিয়েছেন, পুজোর আগে অথবা পুজোর পরেই এই যোগদানের সম্ভাবনা রয়েছে।

এই দাবির পর স্বাভাবিকভাবেই জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে ১৭ জন সাংসদের বিজেপিতে যোগদানের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের তরফে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও সামনে আসেনি। ফলে বিষয়টি আপাতত জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়ার দাবির মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

২০ জন NCPI সাংসদের বক্তব্য জমা দিতে আরও ২০ দিন সময়

ইতিমধ্য়েই তৃণমূলত্যাগী ২০ জন NCPI সাংসদের বক্তব্য জমা দিতে আরও ২০ দিন সময় দিয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়াল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগের উত্তর দিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়েছিলেন কাকলি-সুদীপরা। কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়দের আর্জি মেনে নিয়েছেন স্পিকার ওম বিড়লা। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়দের চিঠি দিয়ে একথা জানিয়েছে লোকসভার সচিবালয়। ২৫ অগাস্ট, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ ২০ জন NCPI সাংসদকে নোটিস ইস্য়ু করতে নির্দেশ দেয়। সেদিনই ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদকে নোটিস পাঠিয়ে ৭ দিনের মধ্যে জবাব চায় লোকসভার সচিবালয়।কিন্তু জবাব দিতে আরও সময় চান এনসিপিআই সাংসদরা।