শনিবার অমিত শাহ-র সভায় যোগ দিচ্ছেন বহু তৃণমূল নেতা-কর্মী। ধস নেমেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের সংখ্যালঘু সেলেও। অন্তত ৫ জন সংখ্যালঘু নেতা এদিন তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপি-তে যোগ দেবেন বলে জানা গিয়েছে। এই ছয়জন হলেন অধ্যাপক ওহিদুল হক, শেখ পারভেজ রহমান, আলমগীর মোল্লা, কবিরুল ইসলাম এবং করম হোসেন খান

অধ্যাপক ওহিদুল হক, তৃণমূলের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের রাজ্য স্তরের নেতা।

শেখ পারভেজ রহমান, ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত পুরশুড়া বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক ছিলেন।

আলমগীর মোল্লা, হুগলির চণ্ডীতলা-১ পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ। দলে মর্যাদা না পেয়ে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বের প্রতি আস্থা জানিয়ে শুক্রবারই তিনি তৃণমূল ছেড়েছিলেন। শ্রীরামপুর মহকুমা শাসকের কাছে কর্মাধ্যক্ষের পদ থেকে ইস্তফার পত্র পাঠিয়ে দিয়েছিন। বলেছিলেন, 'শুভেন্দু বিজেপি হলে আমিও বিজেপি।'

কবিরুল ইসলাম ছিলেন তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সাধারণ সম্পাদক। শুক্রবারই তিনি দলীয় সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দেন। পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি হাজি নুরুল ইসলামকে ইস্তফাপত্র পাঠান তিনি।

করম হোসেন খান, ছিলেন সিউড়ি ১ নম্বর ব্লকের তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ। তিনিও শুক্রবারই জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। শুক্রবার রাতেই মেদিনীপুরে চলে এসেছিলেন তিনি। বলেছিলেন, 'তৃণমূলে দমবন্ধ করা পরিবেশ।'

ক্রমশ পায়ের তলা থেকে জমি হারাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সংখ্যালঘু সেলেও বড় ভাঙন ধরল। ২০২০ সালের ১২ ডিসেম্বর ২০২১ সালের নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক ভারসাম্যটাই পাল্টে দিল বলে মনে করা হচ্ছে।