তড়িঘড়ি পড়ুয়াদের স্কুলে পৌঁছে দিতে গিয়েই কি ঘটল বিপত্তি ? লরিকে ধাক্কা মেরে রাস্তার পাশে নয়ানজুলিতে উল্টে গেল পুলকার। গুরুতর আহত তৃণমূল কাউন্সিলের ছেলে-সহ তিনজন পড়ুয়া। মাথায় আঘাত পেয়েছেন পুলকারের চালকও। শুক্রবার সকালে দুর্ঘটনা ঘটল হুগলির পোলবায়। আহতদের মধ্যে দু'জন পড়ুয়ার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কজনক। হুগলির ইমামবাড়া হাসপাতাল থেকে গ্রিন করিডোর করে তাদের আনা হয়েছে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে।

আরও পড়ুন: প্রিন্সিপালের ঘরের সামনে বক্স বাজিয়ে বিক্ষোভ, লাটে কলেজের ক্লাস

ঘড়িতে তখন সকাল সাতটা। হুগলির শ্রীরামপুর থেকে চুঁচুড়ার দিকে যাচ্ছিল বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের একটি পুলকার। ১৭ জন পড়ুয়া ছিল গাড়িতে। দুর্ঘটনা ঘটে পোলবার কামদেবপুরে, দিল্লি রোডে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন,  পুলকারটির সামনে আচমকাই ইউটার্ন করে একটি লরি। এরপরই নিয়ন্ত্রণ হারান পুলকারের চালক। লরিটিকে ধাক্কা মেরে রাস্তার পাশে নয়ানজুলিতে উল্টে যায় পুলকারটি। আহতদের উদ্ধার করে হুগলির ইমামবাড়া হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় বাসিন্দারা। হাসপাতালে পৌঁছন হুগলির বিধায়ক অসিত মজুমদার ও সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। অত্যন্ত দ্রুততা সঙ্গে চিকিৎসার শুরু সকলেরই।


 

জানা গিয়েছে, বাকীদের প্রাথমিক চিকিৎসার পরে ছেড়ে দেওয়া হলেও, তিনজন পড়ুয়ার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের নাম ঋষভ সিং, দিব্যাংশ ভগত ও অমরজিৎ সাহা। ঋষভের বাবা শ্রীরামপুর পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর সন্তোষ  সিং ওরফে পাপ্পুর। হুগলির ইমামবাড়া হাসপাতাল থেকে গ্রিন করিডোর করে ঋষভ ও দিব্যাংশকে আনা হয়েছে কলকাতা এসএসকেএম হাসপাতালে।  অমরজিতের শারীরিক অবস্থাও গুরুতর।