আশিষ মণ্ডল, বীরভূম: লকডাউনের মাঝেই কি খুন হয়ে গেলেন মা ও মেয়ে? দোতলা বাড়ি থেকে জোড়া মৃতদেহ উদ্ধার করল পুলিশ। গৃহকর্তার খোঁজ নেই। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বীরভূমের মল্লারপুরে। 

আরও পড়ুন: চাষের কাজে যাওয়ার পথে কেড়ে নিল কিশোরের প্রাণ, দেদার গোলাগুলিতে উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ

মল্লারপুরের আম্ভা মোড় লাগোয়া এলাকায় থাকেন মিলন মণ্ডল। পেশা গৃহশিক্ষকতা। হোমিওপ্যাথি ওষুধের ব্যবসাও করতেন তিনি। স্ত্রী ও মেয়ে-কে নিয়ে সংসার। স্ত্রী ডলি এফ সি আই-এর গুদামের চতুর্থ শ্রেণী কর্মী, আর মেয়ে রিমা একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, রবিবার সকালে মিলনের বাড়িতে যান তাঁর বন্ধু। দরজা খোলা দেখে যখন দোতলায় ওঠেন, তখন ডলি-র দেহ দেখতেন পান তিনি। দুর্গন্ধে টেকা যাচ্ছিল না। ঘটনাটি জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। খবর দেওয়া হয় থানায়। বাড়ির নিচ থেকে রিমার দেহও উদ্ধার করে পুলিশ। বাড়ির মালিক মিলন মণ্ডল পলাতক। 

আরও পড়ুন: বসার ধরন নিয়ে বচসা, সবজি বিক্রেতাদের মারার অভিযোগে ক্লোজ পুলিশকর্মী

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বাড়ির দোতলায় একটি ঘরে মেঝে-তে পড়েছিল মিলনের স্ত্রীর দেহ। আর নিচে বাথরুমের কাছে পাওয়া গিয়েছে তাঁর মেয়ে-এর দেহ। দুটি দেহই কাপড় দিয়ে ঢাকা ছিল। কীভাবে মারা গেলেন মা ও মেয়ে? প্রতিবেশীদের ধারণা, ঠাণ্ডায় মাথায় পরিকল্পনামাফিক তাঁদের শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। ঘটনা নিয়ে মুখ খুলতে চাননি পুলিশ আধিকারিকরা। উল্টে সংবাদমাধ্য়মে কাজে পদে পদে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। তাতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ আরও বেড়েছে।