সোনারপুরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরে হামলার অভিযোগ। কিল, চড় মারা হয়। এছাড়াও ঠিল, জুতো, ডিম ছোড়া হয় তাঁর দিকে। মাথায় হেলমেট পরিয়ে তাঁরে বের করে নিয়ে আসে পুলিশ। তাঁর উদ্দেশে ‘চোর’ স্লোগানও দেওয়া হয়। ছিঁড়ে দেওয়া হল তৃণমূল নেতার জামাও। তাঁকে প্রাণে মারার চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন অভিষেক।
সোনারপুরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরে হামলার অভিযোগ। কিল, চড় মারা হয়। এছাড়াও ঠিল, জুতো, ডিম ছোড়া হয় তাঁর দিকে। মাথায় হেলমেট পরিয়ে তাঁরে বের করে নিয়ে আসে পুলিশ। তাঁর উদ্দেশে ‘চোর’ স্লোগানও দেওয়া হয়। ছিঁড়ে দেওয়া হল তৃণমূল নেতার জামাও। তাঁকে প্রাণে মারার চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন অভিষেক। এটাও জানান যে তিনি এই ঘটনা নিয়ে রাজ্যপাল ও কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবেন।

ভোট-পরবর্তী হিংসায় সোনারপুরে নিহত তৃণমূল কর্মী সঞ্জু কর্মকারের দেখতে শনিবার বিকেলে সোনারপুর যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। পথে কামালগাছির কাছে তাঁকে কালো পতাকা দেখিয়ে বিক্ষোভ দেখান অনেকে। তা উপেক্ষা করেই অভিষেক গাড়ি করে পৌঁছে যান তাঁর গন্তব্যের উদ্দেশে। কিন্তু প্রবল বিক্ষোভের মুখে তাঁর গাড়ি আটকে যায়। এর পরে গাড়ি থেকে নেমে বাইকে চড়ে দলীয় কর্মীর বাড়ি যাওয়ার চেষ্টা করেন তৃণমূল সাংসদ। কিন্তু নিহত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে ঢোকার মুখে তাঁকে ঘিরে ফেলেন অনেকে। জনরোষের জেরে বাইকেও গন্তব্যে যেতে পারেননি অভিষেক। শেষমেশ তিনি হেঁটে যাওয়ারই সিদ্ধান্ত নেন।
তখনই তাঁর গায়ে হাত তোলেন বিক্ষোভকারীরা। এলোপাথাড়ি চড়-ঘুষি মারা হয় অভিষেকের মাথায়-ঘাড়ে-গায়ে। তাঁর গায়ে ডিম ছোড়া হয়। জুতোও ছোড়া হয়েছে। ছিঁড়ে দেওয়া হয় পরনের সাদা রঙের শার্টের বোতাম। ওই অবস্থায় হেঁটে এগোতে থাকেন তৃণমূল নেতা। সেই অবস্থাতেই কোনওক্রমে তিনি নিহত দলীয় কর্মীর বাড়িতে পৌঁছন। দেখা করেন তাঁর মা-বাবার সঙ্গে।
পরে সেই বাড়িতেই বসেই অভিষেক বলেন, তাঁকে প্রাণে মারার চেষ্টা হচ্ছে। তৃণমূল সাংসদের কথায়, "মাথাটা বেঁচে গিয়েছে হেলমেট ছিল বলে। আমার চশমা ভেঙে দিয়েছে। কিন্তু আমি হয়তো এইভাবে বেরিয়ে গেলাম। তার পর তো সঞ্জু কর্মকারের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের উপর চড়াও হবে ওই বখাটেগুলো। আমাকে খুন করতে চাইছে। করুক না। আমার লাশ বেরোক এখান থেকে। আমি যে ভাবে এলাম, আমি সেই ভাবেই বেরিয়ে যেতে পারতাম। কিন্তু আমি বেরোব না। কারণ আমি বেরিয়ে গেলে এই পরিবারের লোকগুলোর কী হবে, সেটা ভেবে দেখুন।"
