AITC vs BJP: বিধানসভা নির্বাচনের (2026 West Bengal Legislative Assembly election) আগে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে প্রধান বিরোধী দল বিজেপি-র লড়াই তুঙ্গে উঠেছে। বিভিন্ন জায়গায় শাসক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে বিরোধী দলের সমর্থকদের ভয় দেখানো, হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বীরভূমের লাভপুরে এই অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

DID YOU
KNOW
?
৪ মে ফলপ্রকাশ
২৩ ও ২৯ এপ্রিল বিধানসভা নির্বাচনে ভোটগ্রহণের পর ৪ মে ফল প্রকাশিত হতে চলেছে।

2026 West Bengal Legislative Assembly election: 'যদি ভোট অন্য কোনও দলে পড়ে, তাহলে তার পরিণতি ভয়াবহ হবে। ভোটদাতাদের তালিকা প্রকাশ করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি অন্য কোথাও ভোট পড়ে কেটে পিস পিস করে দেওয়া হবে।' বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটারদের ঠিক এই ভাষাতেই হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বীরভূমের এক তৃণমূল কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধে। এই নেতার নাম ডালিম শেখ। তিনি লাভপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত দাঁড়কা অঞ্চলের সাউগ্রামে দলীয় গ্রাম্য বৈঠকের সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশ্যে এই হুমকি দেন বলে অভিযোগ। ভোটারদের মারধর করা, আটকে রাখার হুমকি দেন ডালিম। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও ভাইরাল। এশিয়ানেট নিউজ বাংলা অবশ্য এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি।

ভাইরাল ভিডিওতে ঠিক কী বলেছেন শাসক নেতা? 

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল এই ভিডিওতে শাসক দলের নেতাকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘যদি ৫০টা ভোট পড়ে, তাহলে পা ভেঙে দেব। কেটে পিস পিস করে দেব। তোরা বাড়িতে থাকতে পারবি না। ভোট গণনা পর্যন্ত বেঁধে রেখে দেব। চুপচাপ থাক।’ এই ভিডিও ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। শাসক দলের তীব্র সমালোচনা করেছেন লাভপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি (BJP) প্রার্থী দেবাশিস ওঝা। তিনি পুলিশ-প্রশাসনের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। দেবাশিসের দাবি, 'তৃণমূল নেতার এই কাণ্ডের কথা তো পুলিশকে জানিয়েছি। কিন্তু কোনও লাভ হচ্ছে না। এরকম হতে থাকলে তো ভোট করা মুশকিল। পুলিশ তো তৃণমূলের হয়ে ভোট করছে।'

Scroll to load tweet…

মেখলিগঞ্জে গ্রেফতার শাসক দলের নেতা

এরই মধ্যে কোচবিহারের মেখলিগঞ্জে নির্বাচনে অশান্তি ছড়ানোর আশঙ্কায় গ্রেফতার করা হল তৃণমূল কংগ্রেস নেতা ঝুমুর আলি ফকিরকে। পুলিশ সূত্রে খবর, এই নেতার বিরুদ্ধে আগে থেকেই একাধিক মামলা রয়েছে। সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন সম্পন্ন করতেই এই আগাম পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, মেখলিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের আরও প্রায় ২০০ জন নেতা বর্তমানে পুলিশের কড়া নজরদারিতে রয়েছেন। প্রয়োজনে আরও কাউকে গ্রেফতার করা হতে পারে।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।