West Bengal Election 2026 Phase 2: ফলতায় ইভিএম মেশিনে বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডার বোতাম টেপ দিয়ে ঢেকে দেওয়ার অভিযোগ। হরিণডাঙা হাইস্কুলের নম্বর বুথের ঘটনা। ভিডিও প্রার্থী নিজেই শেয়ার করেছেন। বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডা তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর ইভিএম বোতাম কারচুপির অভিযোগ করেছেন।
West Bengal Election 2026 Phase 2: ফলতায় ইভিএম মেশিনে বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডার বোতাম টেপ দিয়ে ঢেকে দেওয়ার অভিযোগ। হরিণডাঙা হাইস্কুলের নম্বর বুথের ঘটনা। ভিডিও প্রার্থী নিজেই শেয়ার করেছেন। বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডা তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর ইভিএম বোতাম কারচুপির অভিযোগ করেছেন। প্রার্থীর মতে, বেশ কয়েকটি বুথে তাঁর নাম এবং দলের প্রতীকের জন্য ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) বোতামটি জ্যাম করে দেওয়া হয়েছিল। তিনি দাবি করেন যে, এটি ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছে যাতে ভোটাররা তাঁর পক্ষে ভোট দিতে না পারেন। দেবাংশু পান্ডা আরও অভিযোগ করেন, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে এবং সুষ্ঠু ভোট প্রতিরোধ করতে এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
একই অভিযোগ তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। তিনি লিখেছেন, "ডায়মন্ড হারবারের ফলতা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের (TMC) টিকিটে নির্বাচনে লড়তে থাকা এক অপরাধী জাহাঙ্গির খানের পক্ষ নিয়ে কথা বলার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক এই বিষয়টিরই সাফাই গাইছিলেন। একাধিক ভোটকেন্দ্রে টেপ ব্যবহার করে বিজেপির পক্ষে ভোট দেওয়ার বিকল্পটি আটকে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ভোটাররা কার্যত তাঁদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এটাই হল তথাকথিত ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’—সেই একই ছক, যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর লোকসভা আসনটি নিশ্চিত করতে সহায়তা করেছিল।' অমিত মালব্য আরও লেখেন,"ফলতার যেসব ভোটকেন্দ্রে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে, আমরা সেই সব প্রভাবিত কেন্দ্রে অবিলম্বে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।"
দ্বিতীয় দফায় আজ ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল সাতটা থেকে। এখনও পর্যন্ত মোটের উপর শান্তিতেই ভোট হচ্ছে। ছোটখাট অশান্তি ছাড়া বড় কোনও ঘটনা ঘটেনি। পশ্চিমবঙ্গে ভোটদানের বাড়তি হার দ্বিতীয় দফাতেও অব্যাহত। বুধবার রাজ্যের ১৪২ আসনে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ১৮.৩৯ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোটদানের হার পূর্ব বর্ধমানে। সবচেয়ে কম দক্ষিণ কলকাতায়। প্রথম দু’ঘণ্টার ভোটদানের হারে দ্বিতীয় দফা সামান্য পিছিয়ে থাকল প্রথম দফার তুলনায়। প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ১৮.৭৬ শতাংশ।
