সাক্ষীর অনুপস্থিতিতে শুনানি বাতিল আদালতে চত্বরেই মারা গেলেন বিচারাধীন বন্দি চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদহে তদন্তে পুলিশ

সাক্ষীরা গরহাজির, মামলার শুনানিও হয়নি। কিন্তু আদালত চত্বরেই মারা গেলেন বিচারাধীন বন্দি! ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদহ শহরে। মৃতের পরিবারের দাবি, তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। জেলে তাঁর সঠিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়নি। তদন্তে নেমেছে পুলিশ। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

মৃতের নাম সোরেন পাহাড়ি। মালদহের গাজোলে বাড়ি বছর পঞ্চাশের ওই ব্যক্তি। বছর দেড়েক আগে স্ত্রীকে খুনের অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মামলা চলছিল মালদহ জেলা আদালতে। পুলিশ জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সাক্ষীদের উপস্থিতিতে আদালতে মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। নিয়মমাফিক সোরেনকে সংশোধানাগার থেকে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু সাক্ষীরা অনুপস্থিত থাকায় শেষপর্যন্ত আর শুনানি হয়নি। সন্ধ্যায় আদালতে লকআপে অসুস্থ হয়ে পড়েন সোরেন। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় মালদহ জেলা হাসপাতালে। কিন্তু চিকিৎসক ওই বিচারাধীন বন্দিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্তে।

খুনের মামলাটি বছর দেড়েক পুরনো। তদন্তকারীরা জানিয়েছে, ঘটনার দিকে স্ত্রীকে নিয়ে পুরাতন মালদহে শ্বশুরবাড়িতে এসেছিলেন সোরেন। বাড়ির বাইরে আকুণ্ঠ মদ্য়পান করেন স্বামী ও স্ত্রী। কিন্তু রাতে আর বাড়ি ফেরেননি সোরেনের স্ত্রী। এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। স্ত্রীকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় সোরেনকে। মৃতের পরিবারের দাবি, মিথ্যা মামলায় তাঁকে ফাঁসিয়েছে পুলিশ। মানসিক অবসাদে ভুগছিল তিনি।