বনধের সমর্থনের জাতীয় সড়কে অবরোধ। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা মালদহের সুজাপুর। পুলিশকে লক্ষ্য চলল ইঁটবৃষ্টি, জ্বালিয়ে দেওয়া হল পুলিশের বেশ কয়েকটি গাড়িও।  শুধু তাই নয়,পুলিশকে লক্ষ্য বোমা ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পাল্টা লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়ে পুলিশ। 

আরও পড়ুন: বনধের দিনেই নাগরিকত্ব আইনের প্রচার, পথে নেমে সই সংগ্রহ বাঁকুড়ার সাংসদের

কোথাও ট্রেন অবরোধ, তো কোথাও আবার পথ অবরোধ। বুধবার রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বনধ সফল করতে পথে নামেন ধর্মঘটীরা।  মালদহের সুজাপুরে সকাল থেকে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে রেখেছিলেন কংগ্রেস ও বাম কর্মী-সমর্থকরা।  বেলার দিকে পুলিশ যখন অবরোধ তুলতে যায়, তখনই পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। পুলিশকে লক্ষ্য ইটবৃষ্টি করতে শুরু করেন বিক্ষোভকারীরা, দুইপক্ষের মধ্যে রীতিমতো খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায়। জাতীয় সড়কে পুলিশের বেশ কয়েকটি গাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।  শুধু তাই নয়, বনধ সমর্থকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমাও ছোঁড়েন বলে অভিযোগ। বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করে পুলিশ, ছোঁড়া হয় কাঁদানে গ্যাসও। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। শেষপর্যন্ত বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ শূন্যে গুলি ছোঁড়ে বলে জানা গিয়েছে।   

আরও পড়ুন: বনধের ব্যাপক প্রভাব বাংলা জুড়ে, অক্সিজেন পেল কি বাম- কংগ্রেস, দেখুন ছবিতে

এদিকে বনধের নামে অশান্তি ও পুলিশের গাড়িতে হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন মালদহ জেলা তৃণমূল সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি বলেন, বনধকে কোনওভাবেই সমর্থন করা যায় না। বনধের ফলে সাধারণ মানুষকে প্রবল সমস্যা পড়তে হয়। এদিকে আবার মালদহ শহরের রথবাড়ি মোড়ে যাত্রীদের নামিয়ে একটি সরকারি বাসেও আগুন ধরিয়ে দেন বনধ সমর্থকরা