BDO Suspended News: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আর হাতে গুনে সপ্তাহ তিনকেও বাকি নেই। তার আগেই এবার কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ তুলে নদীয়ার হাঁসখালির বিডিও-কে সাসপেন্ড করার নির্দেশ কমিশনের। এই বিষয়ে কী বলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন? বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

BDO Suspended News: ভোটের আগেই বড় পদক্ষেপ, হাঁসখালির বিডিও সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন। প্রশিক্ষণ শিবিরে হিংসার ঘটনার জেরে কড়া ব্যবস্থা, শুরু বিভাগীয় তদন্ত। জানা গিয়েছে, ভোটের মুখে কড়া পদক্ষেপ নিল Election Commission of India। হাসখালির ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার সায়ন্তন ভট্টাচার্যকে অবিলম্বে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

হাঁসখালির ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসারের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ উঠেছে?

গত ২৭ মার্চ নদীয়ার হাঁসখালি ব্লকের অন্তর্গত রানাঘাট দেবনাথ ইনস্টিটিউশন স্কুলে প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ শিবির চলাকালীন হিংসার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় এক শিক্ষক, সৈকত চট্টোপাধ্যায় মাথায় আঘাত পান এবং রানাঘাট থানায় এফআইআর দায়ের হয়। কমিশনের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ কর্মসূচির দায়িত্বে থাকা বিডিও সায়ন্তন ভট্টাচার্য দায়িত্ব পালনে গাফিলতি করেছেন এবং নির্ধারিত প্রোটোকল বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। এর ফলে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখার প্রচেষ্টায় ব্যাঘাত ঘটেছে বলে মত কমিশনের। এই প্রেক্ষিতে অবিলম্বে সাসপেনশন কার্যকর করার পাশাপাশি দ্রুত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে রাজ্য প্রশাসনকে। এই বিষয়ে কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট পাঠাতে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে, ফর্ম ৬ নিয়ে বিতর্কে মুখ খুললেন পশ্চিমবঙ্গের সিইও। সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখছে নির্বাচন কমিশন। একটি নির্দিষ্ট রিসিভিং সেকশন রয়েছে, যেখানে যে কোনও নথি জমা পড়লে তা গ্রহণ করা হয়। রাজ্যে ভোটের প্রাক্কালে ফর্ম ৬ জমা ও ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে ওঠা বিতর্কে মুখ খুললেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, সরকারি নিয়ম মেনেই সিইও অফিসে সমস্ত নথি গ্রহণ করা হয় এবং ফর্ম ৬ গ্রহণে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই।

সিইও বলেন, ‘’এটি একটি সরকারি দফতর। এখানে একটি নির্দিষ্ট রিসিভিং সেকশন রয়েছে, যেখানে যে কোনও নথি জমা পড়লে তা গ্রহণ করা হয়। ফর্ম ৬ জমা পড়ার বিষয়টি প্রথমে আমার জানা ছিল না, পরে খোঁজ নিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি।” তিনি আরও বলেন, ‘’বছরে চারবার নতুন ভোটার হওয়ার সুযোগ থাকে এবং ১৮ বছর পূর্ণ হলে ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যায়। যদিও ভোটের সময় মনোনয়নের নির্দিষ্ট সময়সীমার আগে, সাধারণত ১০ দিন পূর্ব পর্যন্তই এই ফর্ম জমা দেওয়ার সুযোগ থাকে।'' সফটওয়্যার সংক্রান্ত প্রশ্নে সিইও জানান, সিইও দফতরে সরাসরি নাম অন্তর্ভুক্ত করার কোনও ব্যবস্থা নেই। অভিযোগ পেলে তা জেলা নির্বাচন আধিকারিকের কাছে পাঠানো হয়। এবং তারাই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্যের পরিপেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া মনোজ আগরওয়ালের। ‘’তিনি ফর্ম ৬ নিয়ে অভিযোগ নিয়ে আমি পরিষ্কার বলেছি। এটা একটা সরকারি দফতর আছে। যে কোনও ব্যক্তি তারা তাদের কাগজপত্র দিতে পারে। তারা এক লক্ষ নথিপত্র জমা দিতে পারে। এখনে সমস্ত আধিকারিক নিয়ম মেনে কাজ করেন। আমাদের নিচে স্টাফ আছে যাদের মাধ্যমে আমার কাছে আসে। আমার জানা ছিল না যে কত ফর্ম এখনে এসেছে। ফর্ম ৬ আগে হত ১৮ বছর হলে ফর্ম ৬ ফিল আপ করা যেতে। এখন নতুন নিয়ম অনুযায়ী বছরে চারবার জমা দিতে পারে। তাতে কোনও নিষেধ নেই।''

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।