Birbhum Blast News: বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে রাজ্যজুড়ে ততই বাড়ছে বোমাবাজির ঘটনা। এবার ঘটনাস্থল কোনও নির্জন মাঠ বা পরিত্যক্ত বাড়ি নয়, বরং জনবহুল এলাকার একটি সরকারি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র। মজুত করে রাখা বোমার প্রচণ্ড বিস্ফোরণে ধূলিসাৎ হয়ে গেল দুবরাজপুর ব্লকের যশপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সীমানা প্রাচীর।

Birbhum Blast News: উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণ। উড়ে গেল প্রাচীর। বোমা বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠল এলাকা। এবার ঘটনাস্থল কোনও নির্জন মাঠ বা পরিত্যক্ত বাড়ি নয়, বরং জনবহুল এলাকার একটি সরকারি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র। মজুত করে রাখা বোমার প্রচণ্ড বিস্ফোরণে ধূলিসাৎ হয়ে গেল দুবরাজপুর ব্লকের যশপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সীমানা প্রাচীর। তবে এই ঘটনায় সবচেয়ে বড় আশঙ্কার বিষয় হলো, দুর্ঘটনাস্থল থেকে মাত্র ৫ ফুট দূরত্বেই রয়েছে যশপুর হাই স্কুল।

ফের বিস্ফোরণের অভিযোগ:- 

​স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭ টা নাগাদ বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে যশপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র চত্বর। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কংক্রিটের প্রাচীর মুহূর্তে ভেঙে পড়ে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, স্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রাচীর ঘেঁষে থলি ভর্তি বিপুল পরিমাণ বোমা মজুত করে রাখা হয়েছিল। 

সেখান থেকেই কোনোভাবে এই বিস্ফোরণ ঘটে। ​বিস্ফোরণস্থলের ঠিক ৫ ফুট দূরত্বেই রয়েছে যশপুর হাই স্কুল। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বিস্ফোরণটি স্কুল চলাকালীন বা টিফিনের সময়ে ঘটলে বড়সড় প্রাণহানির আশঙ্কা ছিল।

​স্থানীয় বাসিন্দা ও স্কুলের নৈশ প্রহরী জানান, ​"আমরা বিকট শব্দ শুনে ঘর থেকে বেরিয়ে আসি। দেখি ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে চারপাশ। স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পাঁচিলটা একেবারে গুঁড়িয়ে গেছে। পাশেই স্কুল, আমাদের ছেলেমেয়েরা সেখানে পড়ে। এই ঘটনায় আমরা ভীষণ আতঙ্কে আছি।"

অন্যদিকে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন আর তার আগেই খাস কলকাতায় বিস্ফোরণের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা পাইকপাড়া এলাকা জুড়ে। পাইকপাড়ার গাঙ্গুলি বাগানে এক পরিতক্ত ক্লাবে শনিবার সকাল ছটা নাগাদ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।। বিস্ফোরণের অভিঘাতে আশেপাশের বাড়ির জানালার কাজ ভেঙে গেছে টিনের ছাউনি উড়ে গিয়ে পড়েছে চারতলা একটি বাড়ির ছাদে। 

ক্লাবের পদাধিকারী ব্যক্তিরা বলছেন ক্লাবের জমিটি দখল করার অভিসন্ধি রয়েছে কোন প্রোমোটারের তার জন্যই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে বিস্ফোরক অভিযোগ। স্থানীয়রা এলাকায় পর্যাপ্ত সিসিটিভি এবং পুলিশের নজরদারির দাবি করেছেন। কে বা কারা এই বিস্ফোরণ মজুদ করল পরিতক্ত ক্লাবের তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। স্নিফার ডগ দিয়ে তল্লাশি। ইতিমধ্যে ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।