প্রতীক উর রহমানের পরে আরেক বাম নেতা সায়ন বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের দাবি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল। তরুণ সিপিআইএম নেতার দাবি, তাঁর কাছেও বিজেপির তরফ থেকে ফোন এসেছিল।

প্রতীক উর রহমানের পরে আরেক বাম নেতা সায়ন বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের দাবি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল। তরুণ সিপিআইএম নেতার দাবি, তাঁর কাছেও বিজেপির তরফ থেকে ফোন এসেছিল। আলোচনার বসার প্রস্তাব দেওয়া হয়। যদিও সেই অনুরোধ ফিরিয়ে দিয়েছেন বলে দাবি এই তরুণ নেতার। যদিও বিজেপির তরফ থেকে সায়নকেই উল্টে কটাক্ষ করা হয়েছে। এমনিতেই প্রতীক উর রহমানের দল ছাড়ার ইচ্ছা সংক্রান্ত চিঠি ঘিরে তোলপাড় রাজ্য সিপিএমে। বিরোধীরা তো বটেই, সিপিএমের অনেক নেতা-কর্মীও শীর্ষ নেতৃত্বের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে কটাক্ষ করছেন এই ঘটনায়।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ঠিক কী দাবি সায়নের?

তিনি বলেন, ‘আমার কাছে তিনবার ফোন এসেছিল বিজেপির কেন্দ্রীয় টিমের তরফে। বিজেপির কোনও কেন্দ্রীয় নেতা ও পর্যবেক্ষকের সঙ্গে বসার জন্য সময় চেয়েছেন। আমি সবিনয়ে সেটি প্রত্যাখ্যান করেছি। কারণ, আমি অন্য মতাদর্শের দলের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সঙ্গে বিজেপির কোনও খাপ খায় না। তাদের প্রস্তাব আমি ফিরিয়ে দিয়েছি।’ এনিয়ে বিজেপি মুখপাত্র কেয়া ঘোষ বলেছেন, 'সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় সিপিএমে দাম পাচ্ছেন না। প্রতীক উর রহমানের মতো তিনিও দাম পাচ্ছেন না। তাই এসব বলে নিজের দাম বাড়াতে চাইছেন।'

প্রতীক উর কী করবেন?

এদিকে, দলের রাজ্য কমিটির তরুণ সদস্য প্রতীক-উর রহমানের দল ছাড়ার ইচ্ছার প্রেক্ষিতে অপেক্ষার নীতি নিয়েছে সিপিএম। আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে প্রতীক উরকে আলোচনার জন্য ডেকে পাঠানো হলেও তিনি হাজির হননি। নেতাদের ফোন কখনও ধরছেন, কখনও ধরছেন না। তাই সিপিএমের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকে বুধবার সিদ্ধান্ত হয়েছে, দল আগ বাড়িয়ে তাঁর ব্যাপারে কোনও পদক্ষেপ করবে না। প্রতীক-উর কী করতে চান, তার জন্য অপেক্ষা করা হবে।

প্রতীক উর রহমানকে ধরে রাখতে আসরে নেমেছেন প্রবীণ বিমান বসু। প্রতীকের সঙ্গে ফোনে কথা বলে তিনি মানভঞ্জনের চেষ্টা করছেন বলে খবর আলিমুদ্দিন সূত্রে। শোনা যাচ্ছে, চলতি সপ্তাহেই নাকি কাস্তে ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিতে চলেছেন প্রতীক উর রহমান। যদিও এনিয়ে সরাসরি তিনি কিছু স্বীকার করেননি। বলেছেন, অনেক দলই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তিনি বলেন, “অনেক দল যোগাযোগ করেছে। কারও সঙ্গে কথা বলেছি। আমি বিজেপিতে যাব নাকি সিপিএমে, নাকি হুমায়ুনের দলে যাব তা সময় বলবে। সময় সব থেকে বড় শিক্ষক। রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার কথাও ভাবতে পারি।”