রাজ্যে ১৪৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দিল বিজেপি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আবারও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারী দেখা যাবে। এ বারের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুরেও দাঁড়াচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। এই আসনের বর্তমান বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
রাজ্যে ১৪৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দিল বিজেপি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আবারও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারী দেখা যাবে। এ বারের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুরেও দাঁড়াচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। এই আসনের বর্তমান বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৯৫৬ ভোটে হারিয়েছিলেন শুভেন্দু। এবার নন্দীগ্রামের সেই লড়াই দেখা যেতে পারে ভবানীপুরে। যদিও মুখ্যমন্ত্রী ভবানীপুর আসন থেকে লড়াই করেন। যদিও তৃণমূল বলছে, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হারলে সূর্য পশ্চিম দিকে উঠবে।
মমতার জেতার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী
ভবানীপুর আসনে শুভেন্দুর প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে তৃণমূল নেতা ও রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন,"যে যেখানে খুশি দাঁড়াতেই পারেন। হারবেন বলেই শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুরে দাঁড়াচ্ছেন। এই আসনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যাকে হারানো মানে সূর্য পশ্চিম দিকে ওঠা। ভবানীপুরে হারতে আসছে বিরোধী দলনেতা। ভবানীপুরকে অশান্তিকুঞ্জ বানাতে দেবেন না এখানকার মানুষরা।"
কে কোথায় প্রার্থী
সোমবার বিকেলেই রাজ্যে ১৪৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আরও এক বার খড়্গপুর সদর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তকে প্রার্থী করা হয়েছে রাসবিহারী কেন্দ্রে। হাওড়ার শিবপুর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। বরাহনগরের বিজেপি প্রার্থী হচ্ছেন সজল ঘোষ। বালুরঘাট কেন্দ্রে প্রার্থী করা হল না বর্তমান বিধায়ক অশোক লাহিড়িকে। বিদ্যুৎ রায়কে প্রার্থী করা হয়েছে ওই আসনে। আসানসোল দক্ষিণে প্রার্থী করা হয়েছে অগ্নিমিত্রা পালকে। বাঁকুড়ার শালতোড়া কেন্দ্রে এ বারও প্রার্থী হচ্ছেন চন্দনা বাউড়ি। জলপাইগুড়ির ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি কেন্দ্রে এ বারেও প্রার্থী করা হয়েছে শিখা চট্টোপাধ্যায়কে। কোচবিহারের তুফানগঞ্জে ফের প্রার্থী হয়েছেন মালতী রাভা রায়। শিলিগুড়ি কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন বিধানসভায় বিজেপির মুখ্য সচেতক শঙ্কর ঘোষ। ভাটপাড়ায় এ বারও প্রার্থী হয়েছেন অর্জুন সিংহের পুত্র পবন সিংহ।
এছাড়াও, কোচবিহার উত্তরে সুকুমার রায়, কুমারগ্রামে মনোজ ওঁরাও, কালচিনিতে বিশাল লামা, ফালাকাটায় দীপক বর্মণ, নাগরাকাটায় পুনা ভেংরা লড়বেন। বিধায়কদের মধ্যে মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির আনন্দময় বর্মণ, ফাঁসিদেওয়ার দুর্গা মুর্মু, তপনের বুধরাই টুডু, গঙ্গারামপুরের সত্যেন্দ্রনাথ রায়, হবিবপুরের জুয়েল মুর্মু, গাজোলের চিন্ময় দেববর্মণ, দুর্গাপুর পশ্চিমের লক্ষ্মণ ঘোড়ুইও। কুমারগঞ্জে প্রার্থী করা হয়েছে বিজেপির রাজ্য ওবিসি মোর্চার সভাপতি শুভেন্দু সরকারকে। উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে টিকিট পেয়েছেন উৎপল মহারাজ। বীরভূমের সিউড়ি থেকে টিকিট পেলেন রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতি জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। ডায়মন্ড হারবার আসনেও এ বারও প্রার্থী করা হয়েছে প্রাক্তন বিধায়ক দীপককুমার হালদারকে। হুগলির পুরশুড়া এবং খানাকুলের বিধায়ক যথাক্রমে বিমান ঘোষ এবং সুশান্ত ঘোষ ফের বিজেপির টিকিটে নিজেদের আসন থেকেই লড়ছেন। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর কেন্দ্রে টিকিট দেওয়া হয়েছে জাতীয় তফসিলি জাতি কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) অরুণ হালদারকে।
