নির্বাচন কমিশনের ভোটের তিন দিন আগে মোটরবাইক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার বিজ্ঞপ্তি খারিজ করল আদালত। বিচারপতি জানিয়েছে, ভোটের মাত্র ১২ ঘন্টা আগে থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। তবে চিকিৎসা, স্কুল বা জরুরি প্রয়োজনে বাইক ব্যবহারে ছাড় দেওয়া হয়েছে।
ভোটের তিন দিন আগে থেকে ব্যক্তিগত মোটকবাইক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল কমিশন। টানা ২ দিন শুনানি শেষে শুক্রবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও মতামত দিলেন। তিনি ২০ এপ্রিলের বিজ্ঞপ্তি খারি করে ২৯ এপ্রিল সকাল সাতটা ভোট শুরুর মাত্র ১২ ঘন্টা আগে থেকে ওই বিধিনিষেধ কার্যকর হবে বলে জানান।
আদালতের বক্তব্য, ভোটগ্রহণ শুরুর ১২ ঘন্টা আগে থেকে মোটর বাইকে পিলিয়ং রাইডিং নিষিদ্ধ। তবে, চিকিৎসার দরকারে, বাচ্চাকে স্কুলে নিয়ে যেতে কিংবা কোনও অনুষ্ঠানে গেলে মিলবে ছাড়।
আদালতের নির্দেশ, ভোটের দিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটদানের জন্য, জরুরি প্রয়োজন যেমন চিকিৎসা ও পারিবারিক উদ্দেশ্যে বাইক নিয়ে যাওয়া যাবে। অ্যাপ বাইক, ফুড ডেলিভারি এসবেও আছে ছাড়। যথাযথ পরিচয়পত্র-সহ অফিসযাত্রীদের দেওয়া হবে ছাড়।
বিচারপতি রাও বলেন, আদালত বুঝতেই পারছে না স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ভোটের নামে কেন কমিশন ব্যক্তিগত মোটরবা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। নিরাপত্তা বা নিরপাত্তার নামে এমন নির্দেশ জারি করা যায় না। যদিও বাস মিছিল বন্ধে কনিশন যে নির্দেশ দিয়েছে তাতে যুক্তি আছে বসে মনে করছে কোর্ট। তাই সেক্ষেত্রে কোনও হস্তক্ষেপ করা হয়নি।
শুক্রবারে ফের তিনি প্রশ্ন করেন, কীসের ভিত্তিতে, কোন আইন বা বিধির জোরে তিন দিন ধরে ব্যক্তিগত মোটরবাইক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল? যগিএ ওদিনও প্রা ২ ঘন্টা শুনানিতে কমিশন আদালতের প্রশ্নের সঠিক জবাব দিতে পারেনি।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ভোটের দুদিন আগে থেকে কোনও বাইক মিছিল করা যাবে না। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভোটের ২ দিন আগে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাইক চালানো যাবে। কিন্তু, বাইকের পিছনে কোনও যাত্রী বসতে পারবে না। ভোটের দিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাইক চালানো যাবে না। কিন্তু শর্ত হল, ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্যে বা জরুরি কোনও কাজে বাইক নিয়ে বেরোলে তবেই ছাড় পাবেন।


