ফণী-র তাণ্ডব দেখে তরিঘরি রদ বদল মুখ্যমন্ত্রীর। বাতিল করলেন আগামী ৪৮ ঘন্টার সমস্ত কর্মসূচী। শুক্রবারই নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বেই ওড়িশার বুকে আছরে পরল ফণী। তাই তরিঘরি বিভিন্ন জায়গায় ত্রাণ শিবিরের কাজ শুরু হল জোর কদমে। সকাল থেকেই চলছে আশঙ্কা প্রবণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে আনার কাজ।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে ওড়িশা থেকে দীঘা মন্দারমণি হয়ে মেদিনীপুরের দিকেই ধেঁয়ে আসবে ফণী। তাই সতর্কতা এখন তুঙ্গে, সেই দিকেই নজর রেখেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিদ্ধান্তে বাতিল হল দুই এলাকার জনসভা। ঘাটাল ও চন্দ্রকণায় শুক্রবার বেলাতেই জনসভা করার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। আগামী ১২ই মে, রাজ্যে ষষ্ঠ দফার ভোটে দুই উল্লেখযোগ্য কেন্দ্র হল মেদিনীপুর ও ঘাটাল, হাতে মাত্র আর মাত্র আট দিন। এমনই অবস্থায় ফণী-র দাপটে লণ্ডভণ্ড ভোট প্রচারের পরিকল্পনা।

শুক্রবার সকালে ফণী-র অবস্থান দেখে মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, কোন বৈঠক হবে না এই দিন। পরিকল্পনা অনুযায়ী তিনি যথা সময়ে পৌঁচ্ছে গেছিলেন মেদিনীপুরে, তবে সেখান থেকেই চালাবেন পরিস্থিতির ওপর নজরদারী, জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সবরকমভাবে পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে প্রস্তুত রাজ্য সরকার, দফায় দফায় বৈঠকের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে কড়া সিদ্ধান্ত। সবাইকে উদ্বেগ না বাড়িয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।