আশিষ মণ্ডল, বীরভূম: অন্য বছরগুলির তুলনায় পূর্ণ্য়ার্থীদের সংখ্যা ছিল অনেক কম। কিন্তু যাঁরা এসেছিলেন, তাঁরা শারীরিক দূরত্ব বিধি আর মানলেন কই! কালীপুজোর সকালে দিনভর পুজোপাঠ চলল তারাপীঠ মন্দিরে।

আরও পড়ুন: ১০৮টি প্রদীপ জ্বালিয়ে মঙ্গলারতি, দীপাবলীতে কালীরূপে পূজিতা হন দেবী নলাটেশ্বরী

অন্য কোনও দেবী পুজোর চল নেই। কালীপুজোর দিন মা তারাকেই শ্যামারূপে পুজো হয় করা তারাপীঠে।  ব্যতিক্রম ঘটল না এবারও। শনিবার ভোরে প্রথামাফিক বিগ্রহকে প্রথমে স্নান করানো হয়। এরপর কৃষ্ণ চর্তুদশী তিথিতে অষ্টধাতুর মুখাভরণ, মুণ্ডমালা, মুকুট, সোনার অলঙ্কার, শোলা ও ফুল মালায় সাজিয়ে দেবীকে পুজো করা হল কালীরূপে। করোনা আতঙ্কে মাঝে খোলা থাকলেও, মন্দিরে পূর্ণ্যার্থীদের ভিড় নেই। শনিবার, কালীপুজো দিনেও যে অনেক মানুষ এসেছিলেন, এমনও নয়। কিন্তু পুজোর দেওয়ার জন্য লাইন দিতে গিয়ে দূরত্ব বিধি মানলেন না কেউই। ফলে বিপদের আশঙ্কা বাড়ল আরও।

আরও পড়ুন: কালীপুজোয় বিজেপির জনসংযোগ, হাওড়ায় পথচলতি মানুষদের আলু বিতরণ

কেন এমনটা হল? তারাপীঠ মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, 'আমরা দুরত্ব বিধি মেনে পুজো দেওয়ার জন্য সর্বক্ষণ মাইকে প্রচার চালাচ্ছি। কিন্তু পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে পুজো দিতে এসেছে অনেকেই। তাই মন্দির চত্বরে ভিড় জমছে। তারমধ্যে আমরা যতটা সম্ভব, চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।'