স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সময় তার গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় একশো কুড়ি থেকে একশো পয়ত্রিশ কিলোমিটার। কিন্তু তার আগে যাত্রাপথে ঘণ্টায় একশো পচাত্তর কিলোমিটার পর্যন্ত গতি উঠবে ভয়ঙ্কর এই ঘূর্ণিঝড়ের। আবহ দফতর থেকে বুলবুলের সম্ভাব্য যাত্রাপথ এবং শক্তির যে তালিকা দেওয়া হয়েছে, তাতে অন্তত এমনই তথ্য উঠে আসেছ। 

আবহ দফতরের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার দুপুরের পর থেকেই অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে বুলবুল। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী শনিবার প্রায় মাঝরাতে  সুন্দরবন অঞ্চলে আঘাত হানবে শক্তিশালী বুলবুল। তার বারো ঘণ্টা আগে পর্যন্ত বুলবুল কিন্তু অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হিসেবেই স্থলভূমির দিকে এগিয়ে আসবে। এই সময় বুলবুলের সর্বোচ্চ গতি উঠতে পারে ঘণ্টায় একশো পচাত্তর কিলোমিটার পর্যন্ত। 

আবহ দফতরের পূর্বাভাস বলছে, স্থলভূমিতে আঘাত হানা পরে রবিবার সকাল থেকে শক্তিক্ষয় হবে বুলবুলের। সেই সময় সেটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। এর পর রবিবার রাতের দিকে আরও শক্তি খুইয়ে ধীরে ধীরে নিম্নচাপে পরিণত হবে বুলবুল। তার আগে অবশ্য বুলবুলের তাণ্ডবে সুন্দরবন- সহ দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা এবং উত্তর চব্বিশ পরগণার উপকূলবর্তী অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন আবহবিদ এবং প্রশাসনিক কর্তারা। তাই চূড়ান্ত সতর্কতামূলক যাবতীয় ব্যবস্থাই নিয়ে ফেলেছে জেলা প্রশাসন।