বুধবার সরস্বতী পুজোর দিন থেকে নিখোঁজ ছিল দুই ভাই। প্রায় দু' দিন নিখোঁজ থাকার পর বাড়ির কাছে সর্ষে ক্ষেত থেকে উদ্ধার হল পনেরো বছরের কিশোরের দেহ। এখনও নিখোঁজ নিহত কিশোরের দাদা। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তর চব্বিশ পরগণার স্বরূপনগর থানার মল্লিকপুর গ্রামে। 

নিহত কিশোরের নাম রকি গায়েন (১৫)। সে  ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের বালতি গ্রাম পঞ্চায়েতের বালতি গ্রামের বাসিন্দা। বালতি হাই স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র রকি গায়েন ও শহীদ নুরুল ইসলাম কলেজের বিএ প্রথম বর্ষের ছাত্র রবিশঙ্কর গায়েন সম্পর্কে দাদা ও ভাই। সরস্বতী পুজোর দিন সন্ধেবেলা মল্লিকপুরে জেঠুর বাড়িতে যাওয়ার জন্য বেরিয়েছিল তারা। এর পর থেকেই দুই ভাই নিখোঁজ হয়ে যায়। নিখোঁজ দুই ভাইয়ের বান্ধবী এবং আত্মীয়দের বাড়িতে খোঁজ করেও তাদের সন্ধান মেলেনি। 

শেষ পর্যন্ত এ দিন বিকেলে নিজের বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে সর্ষে ক্ষেতের মধ্যে থেকে রকির দেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয় চাষিরাই কিশোরের দেহ দেখতে পায়। খবর পেয়ে স্বরূপনগর থানার পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। 

নিখোঁজ রবিশঙ্করের পরিবারের দাবি, নিখোঁজ যুবকের দিদির কিছুদিন আগে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তার পর থেকেই দিদির প্রাক্তন স্বামী এবং তাঁর পরিবারের লোকজন তাঁদের খুনের হুমকি দিচ্ছিল। রবিশঙ্করের দিদির শ্বশুরবাড়ির লোকজনই এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত বলে রবি এবং রবিশঙ্করের পরিবারের অভিযোগ। নিখোঁজ রবিশঙ্করের পরিবারের দাবি অনুযায়ী তার দিদির শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।