অভিজ্ঞতা কম। তাই জেতা আসনও ধরে রাখা যায়নি। উপনির্বাচনে খারাপব ফল নিয়ে এমনই যুক্তি দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, উপনির্বাচনের ফল দিয়ে আগামী বিধানসভা নির্বাচনকে বিচার করা ঠিক হবে না। ২০২১-এ তৃণমূল কংগ্রেস পরাজিত হবে বলেই এখনও আশাবাদী বিজেপি রাজ্য সভাপতি। দিলীপ ঘোষকে পাল্টা কটাক্ষ করেছেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তাঁর দাবি, ২০২১-এ বিজেপি পাঁচটি আসনও পাবে না। 

করিমপুর, কালিয়াগঞ্জ এবং খড়্গপুর সদর, এই তিনটি আসনেই উপনির্বাচনে হারতে হয়েছে বিজেপি-কে। তার মধ্যে বিজেপি সবথেকে বড় ধাক্কা খেয়েছে খড়্গপুর সদর কেন্দ্রে। কারণ ওই কেন্দ্রটি দিলীপবাবুর নিজেরই প্রেস্টিজ ফাইট ছিল। মেদিনীপুর থেকে দিলীপবাবু সাংসদ হওয়ার আগে ওই কেন্দ্রেরই বিধায়ক ছিলেন। ফলে ওই আসনে জয়ের বিষয়ে অনেকটাই আশাবাদী ছিল বিজেপি। কিন্তু জেতা আসনও উপনির্বাচনে হাতছাড়া হয়েছে। 

ভোটের ফলে অবশ্য মুষড়ে পড়তে নারাজ বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তাঁর পাল্টা দাবি, গোটা দেশেই উপনির্বাচনগুলিতে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের শাসক দলগুলিই সাধারণত জয়লাভ করে। বিজেপি রাজ্য সভাপতির যুক্তি, কর্মীরা অনভিজ্ঞ হওয়ায় পুলিশ, প্রশাসন, দুষ্কৃতীদের সঙ্গে মোকাবিলা করে জেতা আসন ধরে রাখতে পারেননি। হাল না ছেড়ে দিলীপবাবু পাল্টা চ্যালেঞ্জের সুরে বলেন, 'আসল লড়াই তো হবে ২০২১-এ। তৃণমূল যদি ভাবে যে উপনির্বাচনে তিনটি আসনে জিতেই আগামী পাঁচ বছরের জন্য ক্ষমতায় থেকে গেল, তাহলে ভুল করছে।'

দিলীপ ঘোষকে পাল্টা জবাব দিয়েছেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এ দিন শিলিগুড়িতে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, 'তিনটি বিধানসভার উপনির্বাচনে গো হারা হেরেও বিজেপি-র লজ্জা হয়নি। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ওরা পাঁচটি আসনেও জিতবে না। বিজেপি বরং ২০৫৬-র প্রস্তুতি নিক।'