দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙরে রাস্তার ধারে রাখা একটি রাসায়নিক ড্রাম ফেটে গুরুতর আহত হয় চার শিশু। খেলার সময় এই বিস্ফোরণ ঘটলে তাদের মধ্যে তিনজনকে চিকিৎসার জন্য কলকাতার এমআর বাঙুর হাসপাতালে পাঠানো হয়, যেখানে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
রাস্তার ধারে খেলছিল বাচ্চার। আচমকা পাশে রাখা রাসায়নিক ভরা ড্রামে বিস্ফোরণ হয়। এই বিস্ফোরণের জেরে আগুনে দগ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হল চার শিশু। অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেয় এক শিশু। আহত শিশুদের মধ্যে ৩ জনকে কলকাতা এমআর বাঙুর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসাধীন এই শিশুরা।
জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙরে। ভাঙরের খড়গাছি-চাঁদপুর এলাকায় পিচ রাস্তা মেরামতির কাজ চলাকালীন হঠাৎ একটি কেমিক্যাল ভর্তি ড্রামে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সেই সময় রাস্তার ধারে খেলা করছিল তারা। ঘটনাস্থলে আহত হয় চার জন। একজন ঝলসে যায়। বর্তমানে তারা বান ওয়ার্ডের আইসিইউতে ভর্তি আছে।
আহত শিশুদের মধ্যে আছে, সাদিকুল আহমেদ। বয়স আট। রায়ান মোল্লা। বয়স নয়। সামিউল মোল্লা। বয়স ১০। হাসপাতাল সূত্রে খবর, সাদিকুল আহমেদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। অন্য দুই শিশুও গুরুতর জখম। তাদের চিকিৎসা চলছে। এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সর্বত্র। হঠাৎ কী ভাবে এমন ঘটনা ঘটল, কেমনই বা কেমিক্যাল ভর্তি ড্রামে বিস্ফোরণ হয় তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় রাজ্যবাসী বিশেষ করে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। তবে, ঠিক কী কারণে বিস্ফোরণ হয়, তা নিয়ে নানান প্রশ্ন উঠেছে।
এই ঘটনার পর আহতদের দেখতে ঘটনাস্থলে পৌঁছন স্থানীয় প্রতিনিধি শওকত মোল্লা। পরে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস-ও হাসপাতালে এসে পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
জানা যায়, মঙ্গলবার ওই রাস্তায় প্রায় ২০০ লিটার ডিজেল অয়েল বোঝাই একটি ড্রাম পড়েছিল। তার পাশে খেলা করছিল ৮ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুরা। হঠাৎ বিকট বিস্ফোরণের শব্দে ফেটে যায় সেই ড্রাম। ঘটনাস্থলে ঝলসে যায় একজন শিশু। বাকি তিনজন দগ্ধ ও আহত হয়। বর্তমানে কলকাতা এমআর বাঙুর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে তাদের।


