Fake Medicine: জেলায়-জেলায় জাল ওষুধের রমরমা। ডাক্তারের লেখা প্রেসক্রাইব ওষুধের সঙ্গে মিলছে না দোকান থেকে দেওয়া ওষুধ। কলকাতার পর এবার শহরতলির নামী দোকানের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ। ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? এবং কোথায় হয়েছে? বিশদ তথ্যের জন্য পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Fake Medicine: কলকাতার পর এবার হুগলিতে দেখা গেল একই সমস্যা। পয়সা খরচ করে কিনতে হচ্ছে ওষুধ, কিন্তু সেই ওষুধে রোগ নিরাময় হবে কি? দ্বন্দ্বে ক্রেতারা। ডাক্তার রোগ নিরাময়ের জন্য লিখে দিচ্ছেন একটি ওষুধ। আর সেই ওষুধ কিনতেই বিভিন্ন ওষুধের দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন রোগীর আত্মীয়রা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

জানা গিয়েছে, কিন্তু সেই ওষুধ কেনার পরও দেখা যাচ্ছে একটি সমস্যা। কেনা ওষুধের ব্যাচ নম্বর এবং বিলে দেওয়া ওষুধের ব্যাচ নম্বর মিলছে না কেনা ওষুধের সঙ্গে। যা নিয়ে সম্প্রতি কলকাতায় একটি ওষুধের দোকানে অশান্তির সূত্রপাত। ফের এই অশান্তির পুনরাবৃত্তি দেখা গেল কলকাতা ছাড়িয়ে মফস্বলেও।

হুগলির ব্যান্ডেল বালির মোড় চত্বরে রয়েছে অ্যাপোলো ফার্মেসির ওষুধের দোকান। প্রতিদিন রোগী এবং রোগীর আত্মীয়রা সেই দোকান থেকে ওষুধ কিনে বাড়ি ফেরেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় একজন ক্রেতা সেই দোকানে ওষুধ কিনতে যান। তিনি পাঁচটি ওষুধ কেনেন। 

ঠিক কী অভিযোগ উঠেছে?

তিনি ওষুধ নিয়ে বাড়ি গিয়ে লক্ষ্য করেন, তার কেনা ওষুধের বিলে দুটি ওষুধের ব্যাচ নাম্বার মিলছে না। বিষয়টি লক্ষ্য করার পর তিনি বালির মোড় থেকে কেনা ওষুধের দোকানে আবার আসেন এবং বিষয়টি জানান। বিষয়টি জানার পর ওষুধের দোকানে থাকা কর্মচারী ক্রেতাকে বলেন ওষুধ তিনি ঠিকই দিয়েছেন, ব্যাচ নাম্বারটি ভুল আছে। এরপরই ক্রেতা কর্মচারীকে জানান ব্যাচ নাম্বারে থাকা ওষুধটি তাকে দেওয়ার জন্য।

কী বলছেন ওষুধ বিক্রেতা?

সেই প্রসঙ্গে কর্মচারী বলেন, ‘’ওই ব্যাচ নাম্বারের ওষুধ দোকানে মজুত নেই।'' এরপরই ঘটে বিপত্তি। দোকানে উপস্থিত অন্যান্য ক্রেতারা প্রত্যেকে নিজেদের ওষুধের ব্যাচ নাম্বার মিলিয়ে দেখেন। সেই মুহূর্তে দোকানে ওষুধ কিনতে আসা এক ক্রেতা জানান সপ্তাখানেক আগে কেনা তাঁর ও ওষুধের একটি ব্যাচ নাম্বারের গরমিল ছিল। কিন্তু তিনি সেই সময় ওই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেননি। আবারও একই ঘটনা ঘটায় তিনি দোকানের কর্মচারীকে বিষয়টি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেন।

এরপরই দোকানের সামনে ক্রেতা এবং কর্মচারীদের সামান্য বচসা ঘটে। দোকানে ওষুধ কিনতে আসা রোগীর আত্মীয়রা জানান বিপদে পড়ে ওষুধ কিনতে আসতে হয়। যদি রোগ নিরাময়ের জন্য ওষুধ কিনতে এসে ঠকতে হয়, তাহলে কোথায় যাব। এরপরই বালির মোড়ের ওই ওষুধের দোকানে আসে চুঁচুড়া থানার পুলিশ। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ আধিকারিকরা।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।