মিঠু সাহা, শিলিগুড়ি : কঠিন পরিস্থিতিতেও আমরা পালিয়ে যায়নি। অতিমারি কোরোনা মোকাবিলায় শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়ে যাব। বোর্ডের মেয়াদ শেষে প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যান হিসেবে দ্বায়িত্ব গ্রহণ করেই মন্তব্য বিদায়ী মেয়র অশোক ভট্টাচার্যের। 

জল্পনা শেষে সোমবার প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যান হিসেবে দ্বায়িত্বভার গ্রহণ করলেন শিলিগুড়ি পুরনিগমের বিদায়ী মেয়র অশোক ভট্টাচার্য। দিনকয়েক আগেই রাজ্যের তরফে নির্দেশিকায় স্পষ্ট করা হয়েছিল বাম পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষে কলকাতার ন্যায় শিলিগুড়ি পুরনিগমেও প্রশাসক বসতে চলেছে। প্রশাসকমন্ডলীর গুরু দ্বায়িত্ব দেওয়া হয় অশোকের হাতেই। শুরুতে রাজ্যের নির্দেশিকায় সহমত ছিলেন অশোক ভট্টাচার্য। যদিও তার ২৪ ঘন্টা বাদেই আরও এক সরকারি নির্দেশিকা সব ওলোট-পালট করে দেয়। প্রশাসক মন্ডলীতে পাঁচ তৃণমূল কাউন্সিলরের নাম উঠে আসতেই প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যানের দ্বায়িত্ব গ্রহণের বিষয় অস্বীকার করেন তিনি। এরপর ফের রাজ্যের তরফে নতুন নির্দেশিকা জারি হয়। স্পষ্ট করা হয় তৃণমূল কাউন্সিলরেরা থাকবেন না ওই প্রশাসক মন্ডলীতে৷ এরপরেই প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যান হিসেবে দ্বায়িত্বভার গ্রহণ করলেন বিদায়ী মেয়র। 

প্রথম দিনেই সাংবাদিক বৈঠক করে মেয়র বলেন, নতুন করে নতুন ভাবে আসা। এটা অবশ্য কোরোনা অতিমারির জেরেই। কেননা, এখন নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই প্রশাসকের কাঁধেই দ্বায়িত্ব বর্তায়। রাজ্যের নির্দেশিকা মোতাবেক সেই দ্বায়িত্ব নিয়ে নাগরিক পরিষেবা দিয়ে যাব। শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে অতিমারি কোরোনার বিরুদ্ধে লড়ে যাব। আমাদের প্রাক্তন কাউন্সিলরদের কো-অর্ডিনেটর হিসেবে নিযুক্ত করে নাগরিক পরিষেবায় জোর দেওয়া হবে। নতুন করে কোনও প্রকল্প নেওয়া হবে না। 

কোন কসমেটিক উন্নয়নেও জোর নয়। বিশেষ নজর দেওয়া হবে স্বাস্থ্যে। সেক্ষেত্রে আমরা স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গেও বৈঠকে বসব আগামীতে। একইসঙ্গে নাগরিক পরিষেবা বজায় রাখবে পরিষদীয় দলের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলবো।