চলতি বছর প্রথম থেকেই বিশ্বভারতী কতৃপক্ষ দূষণ নিয়ে একাধিক যুক্তি দেখিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন পৌষমেলা বিষয়। তবুও ব্যবসায়ী ও রীতির কথা মাথায় রেখেই একদিন পরে শুরু করা হয় পৌষমেলা। চলতি বছর মেলা বসে ২৪ ডিসেম্বর থেকে। একাধিক নিয়মের ঘেরা টোপে বেজায় সমস্যার মুখে পড়তে হয় ব্যবসারীদের। এরি মাঝে বাধ সাদে আবহাওয়া। 

আরও পড়ুনঃ সরকারি হাসপাতাল থেকে নিখোঁজ, ১৮ দিন পর বৃদ্ধার হদিশ মিলল শিয়ালদহ স্টেশনে

পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠে। সেভাবে লাভের মুখ দেখা হয় না ব্যবসায়ীদের। ফলে তাঁরা আবেদন জমা দেন যাতে ভাঙা মেলা রাখা হয় আরও দুই দিন। এখানেই ঘটে বিপত্তি। বিশ্ববিদ্যালয় পক্ষ থেকে স্পষ্টই জানিয়ে দেওয়া হয় যে মেলার সময় সীমা বৃদ্ধি করা সম্ভব নয়। অন্যদিকে মেলার সময় বাড়ানোর বিষয় বদ্ধপরিকর বোলপুর ব্যবসায়ী সমিতিরা। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন প্রকাশ্যে ব্যবসায়ী সমিতির এক সদস্য বিশ্বভারতীর জয়েন্ট রেজিস্ট্রারকে হুমকি দেন- তিনি কীভাবে খাকেন দেখে নেওয়ার কথা বলে। 

আরও পড়ুনঃ বরফ পড়েছে পুরুলিয়ায়, দাবি বেগুনকোদরের বাসিন্দাদের, রইল ছবি

এই বাদানুবাদের ভিত্তিতেই শান্তিনিকেতন থানাতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। যদিও ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এই সকল অভিযোগই ভিত্তিহীন। অন্যদিকে এই বচসার মধ্যে পড়ে সমস্যার মুখে পর্যটকেরা। বিক্ষোভ দেখাতে পথে নেমেছে ব্যবসায়ীরা। বন্ধ একাধিক দোকান, বন্ধ মেলার বেশ কয়েকটি গেটও। ফলে মন ভরছে না পর্যটকদের।