নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে এ রাজ্যে লাগাতার আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি-এর চাপ বাড়াতে কি বিধানসভা ভোটও এগিয়ে আনার পরিকল্পনা করেছে সরকার? জল্পনা উসকে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল।

সিএএ ইস্যুতে আন্দোলনের তীব্রতা বাড়াচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর নির্দেশে শনিবার রাজ্যের সর্বত্রই ধরনা কর্মসূচি সামিল হন দলের বিধায়করা। তবে ধরনা নয়, বীরভূমের মুরাইয়-এ শনিবার নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসি-র বিরুদ্ধে প্রকাশ্য জনসভায় আয়োজন করে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই সভায় বক্তব্য রাখতে বিধানসভা ভোটের প্রসঙ্গ তোলেন খোদ দলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। বলেন, 'লোকসভা নির্বাচনে মুরারই বিধানসভা কেন্দ্রের মানুষের ভোটেই শতাব্দী রায়ের জয়ের রাস্তা সুগম হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি একুশের বিধানসভা ভোটে এগিয়ে আনেন, তাহলে পাশে থাকবেন তো?' সাধারণ মানুষকে বীরভূমের দাপুটে এই তৃণমূল নেতার বার্তা, 'আপনারা এককাট্টা থাকবেন। কিছু মানুষ পয়সা দিয়ে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করছে। ফাঁদে পা দেবেন না, ভুল করবেন না।  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপনাদের সঙ্গে আছেন।'

আরও পড়ুন: সিএএ নিয়ে তৃণমূলে দ্বন্দ্ব রয়েছে,মমতার পাশে নেই অনেকে-দাবি দিলীপ ঘোষের

আরও পড়ুন: নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে কলকাতায় ধরনায় মন্ত্রীরা, দেখুন ভিডিও

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে এ রাজ্যে বিধানসভা ভোটের লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে আসাউদ্দিন ওয়াইসি-এর দল অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলেমিন বা মিমি। নাগরিকত্ব আইন বিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দলটির প্রভাব বেড়েছে বীরভূমের মুরারই-এ।  নাম না করে মিম-কেই কি দাঙ্গাবাজ বললেন অনুব্রত মণ্ডল? তেমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।  শনিবার মুরারই-এ নাগরিকত্ব আইন বিরোধী জনসভায় হাজির ছিলেন বোলপুরের সাংসদ অসিত মাল, মৎস্যমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা, জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরী-সহ আরও অনেকে।