Gaighata Encounter: রাতের অন্ধকারে কিশোরীকে ধর্ষণ-খুনের অভিযোগ। ঘটনার পুনঃনির্মাণ করতে গিয়ে এনকাউন্টারে মৃত্যু হলো ধর্ষক যুবকের। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ঠিক কোথায় ঘটেছে এই ঘটনা? বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।।
Gaighata Encounter: গাইঘাটায় কিশোরীকে ধর্ষণ খুনে অভিযুক্তের মৃত্যু এনকাউন্টারে। পুলিশ সূত্রে খবর, উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পুলিশের গুলিতে মৃত্যু মুল অভিযুক্ত । পুলিশের দাবি, ঘটনার পুনর্নির্মাণ করে ফেরার পথে পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাস। পাল্টা পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় তার। এই ঘটনায় তদন্তকারী এক পুলিশ আধিকারিকও আহত হয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
গাইঘাটায় পুলিশি এনকাউন্টারে নিহত ধর্ষক:-
জানা গিয়েছে, লক্ষ্মীপুজোর আগের রাতে মায়ের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিল গাইঘাটার ওই নাবালিকা। সেখান থেকে ফেরার পথেই নিখোঁজ হয়ে যায় সে। পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরদিন সকালে বাড়ির কাছেই একটি বাড়ির পিছন থেকে নাবালিকার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে তার পরিবার। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার তদন্তে নেমে দ্রুত অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসকে গ্রেফতার করে গাইঘাটা থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযুক্ত অপরাধের কথা স্বীকার করে নেয়। এরপর গতকাল রাতে ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য অভিযুক্তকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে ফেরার সময় পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পুলিশকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের ছোড়া গুলি পুলিশের গাড়িতে লাগে এবং ঘটনায় তদন্তকারী এক পুলিশ আধিকারিক আহত হন। পরিস্থিতি সামাল দিতে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। পুলিশের গুলিতে নিহত হয় নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাস। এই বিষয়ে শিমুলপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ।
এদিকে গাইঘাটায় এনকাউন্টার নিয়ে স্থানীয় এক মহিলা বলেন, ''এনকাউন্টার হওয়াটাই স্বাভাবিক ছিল। ওর মতো মানুষ পুলিশকে আক্রমণ করে। একাদশ শ্রেণির পড়ুয়া ওই মেয়েটাকে আক্রমণ করেছে। ওর যা হয়েছে এটাই স্বাভাবিক। ওর যা হয়েছে ভাল হয়েছে। যাতে এটা দেখে মানুষ শিক্ষা নেয়। পুলিশের কাজে আমি খুব খুশি।'' এছাড়াও এক প্রৌঢ় এলাকাবাসীও বলেন, ''এত বড় ঘটনা ঘটানোর পরেও অভিযুক্তের কোনও ভয় নেই। হেলদোল নেই। সে প্রশাসনের বন্দুক কেড়ে নিয়ে প্রশাসনকেও মারতে চেয়েছিল!''


